Get Rid of Allergy in Any Season

যেকোনো ঋতুতে অ্যালার্জি থেকে সমাধানের পথ

লাইফস্টাইল

চুলকানি হল লক্ষণ আর অ্যালার্জি হল কারণ। যা অ্যালার্জেন্স ঘটিত। অর্থাৎ কোনও একটি বিশেষ উপাদান শরীর নিতে না পরলে তার প্রতিক্রিয়া অ্যালার্জি।

প্রত্যেক মানুষের শরীরে এক একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইমিউন সিস্টেম’ থাকে। কোনো কারণে এই ব্যবস্থায় গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস, এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।

Get Rid of Allergy in Any Season
Get Rid of Allergy in Any Season

চুলকানি হল লক্ষণ আর অ্যালার্জি হল কারণ। যা অ্যালার্জেন্স ঘটিত। অর্থাৎ কোনও একটি বিশেষ উপাদান শরীর নিতে না পরলে তার প্রতিক্রিয়া অ্যালার্জি। অ্যালার্জিতে তাঁরাই বেশি আক্রান্ত যাঁদের রক্তে ইওসিনোফিলের মাপ বেশি। বেশিরভাগ সময় অ্যালার্জির ক্ষেত্রেও চুলকানিটা একটা লক্ষণ, কারণ শরীরের অ্যালার্জেনের প্রতিক্রিয়া বা বহিঃপ্রকাশ হল ইনফ্লেমেশন অর্থাৎ জ্বালা-যেটা চুলকানির রূপে প্রকাশ পায়। এই চুলকানি শরীরে যে কোনও স্থানে হতে পারে।ত্বকে ছোট ছোট ফোঁসকা পড়া,ফোঁসকাগুলো ভেঙে যাওয়া, চুয়ে চুয়ে জলপড়া,ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যাওয়া,ত্বক লালচে হওয়া এবং চুলকানো, চামড়া ফেটে আঁশটে হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

রক্ত পরীক্ষা: বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে জানতে হবে ।সিরাম আইজিইর মাত্রা: সাধারণত অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে।স্কিন প্র্রিক টেস্ট: এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়| এই পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।প্যাচ টেস্ট: এই পরীক্ষাতে রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়। বুকের এক্স-রে: হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে দেখা দরকার। যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন সহজ উপায়ে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

অ্যালার্জির কারণ ঋতু হলে সেক্ষেত্রে শীতকালে বা বসন্তকালে অ্যালার্জির প্রবণতা দেখা যায়। ঋতু চলে গেলে সমস্যাও মিটে যায়। শরীরের অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হলে তখন সেই চুলকানি বন্ধ করার জন্য অ্যান্টি-হিস্টামাইন ওষুধ দেওয়া হয়। সবচেয়ে ভাল উপায় হল অ্যালার্জি প্রোফাইল টেস্ট করে রোগী যদি তার শরীরে অ্যালার্জেন্স কোনটা সেই ব্যাপারে অবগত থেকে তার সংস্পর্শে না আসেন তবে অ্যালার্জির সমস্যা রোধ করা সম্ভব।

হাঁচি ও কাশিতে খুব কষ্ট পাচ্ছেন? তা হলে এক চাচামচ অরগ্যানিক মধু খেয়ে নিন৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই উপকার পাবেন৷ খুব কাশি হলে গরম জলে এক চাচামচ অরগ্যানিক মধু মিশিয়ে ছোট ছোট সিপে খেলেও গলায় আরাম হয়৷অ্যালার্জির কারণে ফোলা, লালচেভাব, চুলকানিও কমায় গ্রিন টি-র প্রভাব৷ অনেকেরই বর্ষাকালে অ্যালার্জির সমস্য বাড়ে, সে সময়ে দিনে দু’ কাপ গ্রিন টি পান করলে অ্যালার্জি ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব৷

এক কাপ গরম জলে এক মুঠো শুকনো পুদিনাপাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে খানিকক্ষণ রাখুন৷ তার পর ছেঁকে পান করুন৷ কমবে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও শ্বাসে অসুবিধের সমস্যা৷ঘর-দোর পরিষ্কার রাখুন৷ মাস্ক পরে ঝাড়াঝুড়ির কাজ করবেন সব সময়ে৷ জানলার পরদা, বিছানার চাদর, বালিশের ঢাকা সপ্তাহে একদিন গরম জলে ধুয়ে নিন৷ অনেকের বিড়াল, কুকুর, পাখির লোম বা সফট টয়ের রোঁয়া থেকেও অ্যালার্জি হয়, সেগুলি থেকে দূরে থাকুন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *