Indira Gandhi & Sachin Dev Burman Death Anniversary

Indira Gandhi & Sachin Dev Burman: প্রয়াণ দিবস

লাইফস্টাইল

ইন্দিরা গান্ধী এবং বলিউডের সংগীত জগতের দিকপাল শচীনদেব বর্মন -এর নাম উঠে আসে অক্টোবরের ৩১ তারিখে (Indira Gandhi & Sachin Dev Burman)।

স্বাধীন ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং বলিউডের সংগীত জগতের দিকপাল শচীনদেব বর্মন -এর নাম উঠে আসে অক্টোবরের ৩১ তারিখে (Indira Gandhi & Sachin Dev Burman)। আজ ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর ৩৫ তম প্রয়াণ দিবস। ১৯৮৪ সালের ৩১সে অক্টোবর, আজকের দিনে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী দেহরক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারান। সারাদেশ জুড়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে তার প্রয়াণ দিবস পালিত হচ্ছে। তিনি ভারতের প্রথম ও আজ পর্যন্ত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী। প্রভাবশালী নেহেরু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করায়, তিনি এক রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেন। তার পিতামহ মতিলাল নেহেরু একজন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা ছিলেন। তার পিতা জওহরলাল নেহেরু ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। তার ছেলে রাজীব গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

১৯৩৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন৷ ১৯৪১ সালে অক্সফোর্ড থেকে ফিরে এসে ইন্দিরা গান্ধী পিতার সাথে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর হঠাৎ মৃত্যুর পর ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ‘এশিয়ার সূর্য’ নামেও পরিচিত ছিলেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ বছর ভারত শাসন করেছেন ইন্দিরা গান্ধী৷ তুখোর রাজনীতিবিদ ইন্দিরা গান্ধী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন ভারতে৷ ভারত তথা বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গণ স্মরণ করছে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে৷ ভুবনেশ্বর শহরেই ১৯৮৪ সালের ৩০শে অক্টোবর জীবনের শেষ ভাষণটা দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। আজ গোটা দেশ তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক শচীন দেববর্মণের প্রয়াণ দিবস আজ। বাংলা গানের এই কিংবদন্তী ১৯৭৫ সালের ৩১শে

S D Burman
S D Burman

অক্টোবর পরলোকগমন করেন। তিনি এস ডি বর্মণ কিংবা শচীন কর্তা নামেও ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। বাংলা এবং হিন্দী উভয় ভাষার গানে সমান দক্ষ শচীন দেব তৎকালীন পূর্ববাংলা ও পশ্চিম বাংলার পাশাপাশি ভারতের হিন্দি বলয়েও জনপ্রিয় ছিলেন। সঙ্গীতের নেশায় তিনি কষ্টের পথ বেছে নেন। পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে নিজ চেষ্টায় ও উপার্জনে সঙ্গীতের চর্চা চালিয়ে যান। শচীন দেববর্মণের জন্ম ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের কুমিল্লায শহরে। তিনি ছিলেন ত্রিপুরার চন্দ্রবংশীয় মাণিক্য রাজপরিবারের সন্তান।

বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মন ছিলেন একজন সেতারবাদক এবং ধ্রূপদী সঙ্গীতশিল্পী। তিনিই ছিলেন শচীন দেববর্মনের প্রথম শিক্ষক। এরপর তাঁর সঙ্গীত শিক্ষা চলে উস্তাদ বাদল খান এবং বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে। ১৯২৫ সালে তিনি কুমিল্লায় পৈত্রিক নিবাস ছেড়ে ভারতে গমন করেন। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে হিন্দুস্তান মিউজিক্যাল প্রোডাক্টস থেকে শচীন দেবের দুটি রেকর্ড বের হয়। ১৯৩০-এর দশকে তিনি রেডিওতে পল্লীগীতি গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বাংলা লোকসঙ্গীতে শচীন কর্তার ছিল অগাধ জ্ঞান।কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক। তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে রাজগী নামক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার সঙ্গীত পরিচালনা জীবনের শুরু। তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গান হলো:–যদি দখিনা পবন (রাগপ্রধান), প্রেমের সমাধি তীরে (কাব্যগীতি),নিশীথে যাইও ফুলবনে (পল্লিগীতি),বধুঁগো এই মধুমাস (পল্লিগীতি), ওরে সুজন নাইয়া (পল্লিগীতি)। তাঁকে প্রণাম জানাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *