International Day of Peace History

International Day of Peace: বিশ্ব শান্তি দিবস

লাইফস্টাইল

প্রায় ৭০ বছর আগে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত মানবাধিকার আইনকে এবারের মূল প্রতিপাদ্য ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই দিবস (International Day of Peace) পালন করছে।

আজ ২১শে সেপ্টেম্বর – আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব শান্তি দিবস ( International Day of Peace )। বিশ্ব শান্তি দিবস বা আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি, আন্তর্জাতিকভাবে পালিত দিন, সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত বিশ্বের সকল দেশ ও সংগঠন কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হয়ে থাকে। ১৯৮১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত নম্বর ৩৬/৬৭ প্রস্তাব অনুসারে প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের “তৃতীয় মঙ্গলবার” জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার দিনটিকে “আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০০১ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ৫৫/২৮২ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে ২০০২ সাল থেকে প্রতি বছরের ২১শে সেপ্টেম্বর “আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস” হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০১৯- এর থিমটি হ’ল “শান্তির জন্য জলবায়ু পদক্ষেপ”। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের জন্য তার বার্তায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ বলেছে যে জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপের বিষয়ে এবারের প্রতিপাদ্যকে “বিশ্বব্যাপী জলবায়ু জরুরি অবস্থা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসাবে” বেছে নেওয়া হয়েছে। “উপকূলীয় অঞ্চল এবং আরও অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলি ক্রমশই জনবসতিহীন হয়ে পড়ছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ এখান থেকে অন্য কোথাও সুরক্ষা এবং উন্নত জীবন চাইতে বাধ্য হচ্ছে,” বলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তোনিও গুতেরেজ।রাষ্ট্রসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তোনিও গুতেরেজ বলেন, “এটি এমন একটি দৌড় যা আমরা অর্জন করতে পারি এবং আমাদের অবশ্যই এই প্রতিযোগিতায় জিততে হবে।”

প্রায় ৭০ বছর আগে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত মানবাধিকার আইনকে এবারের মূল প্রতিপাদ্য ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই দিবস পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রত্যেক দেশে দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হবে। চলবে শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। সারা বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠাতেই এই দিবসের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশে দেশে সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্বায়নের এই যুগে বিশ্বের যেকোন দেশেই সৃষ্ট অশান্তি-বিশৃঙ্খলা ইত্যাদি সংঘটিত হলে তার প্রভাব পড়ে অন্যান্য দেশে। তাই শান্তি প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে কোন একটি দেশ নয়, বরং গোটা বিশ্ববাসীকেই অংশ নিতে হবে। বিশ্ব শান্তি দিবস পালন করা তখনই অর্থবহ হবে, যখন বিশ্ব থেকে দারিদ্র, যুদ্ধ বিগ্রহ, ধর্ম ও বর্ণ বিভেদ-বিদ্বেষ মানবাধিকার লংঘন ইত্যাদি চিরতরে বন্ধ করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *