October Month is for Breast Cancer Awareness

Breast Cancer Awareness: স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস

লাইফস্টাইল

প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer Awareness) হতে পারে এবং প্রতি ৩৬ জন আক্রান্ত নারীর মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা একজনের।

আজ ১০ই অক্টোবর, স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস। প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer Awareness) হতে পারে এবং প্রতি ৩৬ জন আক্রান্ত নারীর মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা একজনের। এ মরণব্যাধির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে অক্টোবর মাসকে ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। পৃথিবীর সব দেশেই নারীর জন্য এক নীরব ঘাতক স্তন ক্যান্সার। এই গোপন ব্যাধির শিকার হয়ে প্রতি বছর প্রাণ হারান হাজার হাজার নারী। বিশ্বজুড়ে অক্টোবর মাসকে ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের অবস্থান দ্বিতীয়। নারী ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত্যু হার যথাক্রমে ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ১৫ লক্ষাধিক নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং প্রতি লাখে ১৫ জন মারা যান।

Breast Cancer Described
Breast Cancer Described

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে- ১. বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। ২. স্তনে গ্রন্থির পরিমাণ অধিক হলে। ৩. অল্প বয়সে ঋতু¯্রাব হলে এবং বেশি বয়সে স্রাব বন্ধ হলে। ৪. কখনো সন্তান ধারণ না করলে। ৫. মেদবহুল দেহ, মোটা ভুঁড়ি ও অতিরিক্ত ওজন হলে। কারণ এর সঙ্গে হরমোনের সম্পর্ক থাকে। ৬. রক্ত সম্পর্কীয় কোনো আত্মীয় যদি স্তন, কোলন বা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। পরিবারের অতি নিকট আত্মীয় যদি (যেমনÑ মা, বোন, খালা, ফুপু) ৫০ বছর বয়সের আগেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন অথবা পরিবারে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দুইয়ের অধিক হয় তাহলে এ রোগের ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। ৭. দীর্ঘদিন একটানা জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি সেবন করলে। ৮. ঋতুস্রাব বন্ধের (মেনোপজ) পর অনেকদিন হরমোন রিপ্লেসমেন্ট বড়ি সেবন করলে। ৯. অতিরিক্ত লাল মাংস খেলে। ১০. এক স্তনে ক্যান্সার হলে। ১১. মদ্যপান। ১২. বাচ্চাকে বুকের দুধ না খাওয়ালে।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে : ১. নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে দেহের স্বাভাবিক ওজন বজায় থাকলে। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হালকা শারীরিক পরিশ্রম এ ঝুঁকি বহুলাংশে কমাবে। ২. শিশুকে পূর্ণ দুই বছর মায়ের দুধ খাওয়ালে। ৩. ৩০ বছরের মধ্যে ১-২টি সন্তান গ্রহণে ঝুঁকি কমে। ৪. প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মাংস, চর্বি ও শর্করা জাতীয় খাবার কমিয়ে শাক-সবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়ালে। চিকিৎসকরা বলছেন, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা বাঁচিয়ে তুলতে পারে রোগীকে এবং দিতে পারে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *