Remedy for Fear in Chest Anxiety

Fear in Chest Anxiety: ভয়ে বুক ধড়ফড়, আছে প্রতিকার

লাইফস্টাইল

সবসময় জটিল কোন রোগের কারনে বুক ধড়ফড় (Fear in Chest Anxiety) করে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাধারণ কিছু কারনে এই বুক ধড়ফড় হয়।

বুক ধড়ফড় বা বুক ধুকপুকানি (Fear in Chest Anxiety) মানুষে হৃদযন্ত্রের সমস্যা। কিন্তু বুক ধড়ফড় মানেই হৃদযন্ত্রের অসুখ নয়। চিকিত্‍সা বিদ্যায় একে বলে প্যালপিটেশন । বুক ধড়ফড় করা একটা রোগের উপসর্গ মাত্র। আমাদের দেশে এ সমস্যা প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। এতে সবাই ভয় পেয়ে যান। সবসময় জটিল কোন রোগের কারনে বুক ধড়ফড় করে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাধারণ কিছু কারনে এই বুক ধড়ফড় হয়।

আমাদের হৃদ্‌যন্ত্র একটি নির্দিষ্ট নিয়মে স্পন্দিত হয়। একে বলে হার্ট বিট বা হৃৎস্পন্দন। একজন সুস্থ মানুষের মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার হার্ট বিট হয়। তবে সব সময় এটি নাও হতে পারে। দৈনন্দিন জীবনে নানা পরিস্থিতিতে হার্ট বিট বাড়তে পারে বা বুক ধড়ফড় করতে পারে। আবার পরিস্থিতিতে হার্ট বিট কমতেও পারে। কিছু হৃদ্‌রোগ ও অন্য জটিলতায়ও হার্ট বিট বাড়া-কমা করে।

বুক ধড়ফড় করার কারন :-
১. সাধারণত অতিরিক্ত পরিশ্রম, সিঁড়ি ভাঙা, দৌড়ঝাঁপ, আবেগ–উচ্ছ্বাস, ব্যায়াম, খেলাধুলা, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে হার্ট বিট বেড়ে যায়। কারণ এসব ক্ষেত্রে হৃদ্‌যন্ত্রকে বেশি কাজ করতে হয়।
২. হৃত্‍পিন্ডের অলিন্দ এবং নিলয়ে যদি অতিরিক্ত সংকোচন হয় তবে মাঝে মাঝে খুব অল্প সময়ের জন্য বুক ধড়্ফড়্ হতে পারে। যারা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন এবং ধূমপান করেন তাদের এমন বেশি হয়।
৩. ডায়রিয়া, বমি, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি কারণে শরীরে জলের অভাবে হার্ট বিট দ্রুততর হয়।আবার ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করা কমে গেলে ঘামের সঙ্গে বুক ধড়ফড় করতে থাকে।
৪. অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভুগলেও হৃত্‍পিন্ডের অতিরিক্ত সংকোচন হয় এবং এতে বুক ধড়ফড় হতে পারে।আবার হৃত্‍পিন্ডের বিভিন্ন জটিল রোগ (যেমন: AF, SVT, VT প্রভৃতি) থাকলে বুক ধড়ফড় করতে দেখা যায়।
৫. কিছু ওষুধ সাময়িকভাবে হার্ট বিট বাড়ায়। যেমন হাঁপানি রোগে ব্যবহৃত সালবিউটামল, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ অ্যামলোডিপিন ইত্যাদি।

কী করণীয় :-
হার্ট বিট বেড়ে যাওয়ার কারণটি জানতে হবে আগে।হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় দ্রুত চিনির শরবত খেলেই ঠিক হয়ে যায়। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে তা বন্ধ করা যায় কি না দেখতে হবে। জ্বর বা রক্তশূন্যতা সেরে গেলে হার্ট বিট নিয়মিত হয়ে যায় অনেক সময় অতিদ্রুত হার্ট বিট থেকে রোগী অচেতন হয়ে পড়তে পারে, স্ট্রোক হতে পারে। অনেক সময় নিশ্চিত হবার জন্য এক্সরে, ইসিজি, ইকো-কার্ডিওগ্রাম, এনজিওগ্রাম, ইটিটি টেস্ট এবং রক্তের কিছু পরীক্ষা করার দরকার হয়।তাই হার্ট বিট দ্রুত বা অনিয়মিত মনে হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *