sukumar-roy-and-diego-maradona-birthday

Sukumar Roy and Diego Maradona: জন্মদিন

লাইফস্টাইল

প্রত্যেক বাঙালীর মনে অমর হয়ে আছে । আজকের দিনেই বুয়েনস এয়ার্সে জন্মেছিলেন দিয়েগো মারাদোনা (Sukumar Roy and Diego Maradona)।

বাংলা সাহিত্যে সুকুমার রায় হলেন এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যার লেখা অসাধারণ কিছু সাহিত্যকর্ম আজও প্রত্যেক বাঙালীর মনে অমর হয়ে আছে । আজকের দিনেই বুয়েনস এয়ার্সে জন্মেছিলেন দিয়েগো মারাদোনা (Sukumar Roy and Diego Maradona)। বিংশ শতাব্দীর ভারত তথা বাংলা সাহিত্য জগতে তিনি হয়ে ওঠেন এক নবদিগন্তের পথিক । সুকুমার রায়ের জন্ম হয় ১৮৮৭ সালের ৩০শে অক্টোবর, কোলকাতার এক ব্রাহ্ম পরিবারে । তাঁর বাবার নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী আর মা বিধুমুখী দেবী। আদি বাড়ি ছিলো বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার মসূয়া গ্রামে । তাঁর মোট ২জন ভাই ও ৩জন বোন ছিলো, যাদের নাম যথাক্রমে- সুবিনয়, সুবিমল, সুখলতা, পুণ্যলতা ও শান্তিলতা ছিলো । সুকুমার রায়ের আরো অনেক বিখ্যাত ছড়া আছে। তার মধ্যে ‘গোঁফচুরি’, ‘প্যাঁচা আর প্যাঁচানি’, ‘অবাক কাণ্ড’, ‘ন্যাড়া বেলতলায় যায় ক’বার’, ‘শব্দ কল্প দ্রুম’, ‘একুশে আইন’, ‘ভুতুড়ে খেলা’, ‘রামগরুড়ের ছানা’, ‘মূর্খমাছি’, ‘জীবনের হিসাব’ উল্লেখযোগ্য।

সাহিত্যিক সুকুমার রায়, কলকাতার সিটি স্কুল থেকে এন্ট্রাস পাশ করেন এবং তারপর কোলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯০৬ সালে রসায়ন ও পদার্থবিদ্যায় অনার্স লাভের পর, তিনি মুদ্রণবিদ্যা সম্পর্কে উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য ১৯১১ সালে বিদেশে যান । সেখানে তিনি ফটোগ্রাফি এবং মুদ্রণ প্রযুক্তির ওপর পড়াশোনা করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময়ই তিনি কিন্তু গড়ে তুলেছিলেন, “ননসেন্স ক্লাব” । এই ক্লাবের মুখপত্র ছিল হাতে লেখা কাগজ-“সাড়ে বত্রিশ ভাজা” । তাঁর লেখালেখির বড় অংশই ‘সন্দেশ’ পত্রিকার জন্য। ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর, সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ১০০নং গড়পার রোডের বাড়িতে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে সাহিত্যিক সুকুমার রায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।

১৯৬০ সালের ৩০শে অক্টোবর। আজকের দিনেই বুয়েনস এয়ার্সে জন্মেছিলেন দিয়েগো মারাদোনা। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বিতর্কিত ফুটবলারদের তালিকা প্রস্তুত করলে সবচেয়ে উপরে মারাদোনার নামটা থাকবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। নিজের জীবন জুড়ে রয়েছে বিতর্ক, সাফল্য, ব্যর্থতা, আনন্দ, কান্না, মাদক, বিচ্ছেদ আবার সাফল্যের চূড়া থেকে মাটিতে নামা, সবকিছুই। গোটা ফুটবল বিশ্ব মারাদোনাকেই রাজপু্ত্র হিসেবে মানে। গোটা ফুটবল বিশ্ব পুজো করে মারাদোনাকে।৫ ফুট ৫ ইঞ্চি শরীরটার বেশিরভাগটাই ট্যাটুতে ঢাকা। ডান হাতে আঁকা রয়েছে চে গুয়েভারার মুখ। এই ট্যাটু গোটা বিশ্বজুড়ে কত অগণিত ভক্ত কপি করেছেন তার হিসেব নেই। বাঁ পায়ে রয়েছে কিউবার কিংবদন্তি নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ছবি।

আন্তর্জাতিক ফুটবল কেরিয়ারে মোট চারবার বিশ্বকাপ খেলেছেন মারাদোনা। খেলেছেন আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্স, বোকা জুনিয়র্স, বার্সালোনা, নাপোলি, সেভিয়ার মতো একাধিক ক্লাবে। তবে সেরা পারফরম্যান্সটা ১৯৮৬সালে। সেদিনের রাতটা এখনও ভুলতে পারেনি গোটা ফুটবল বিশ্ব। আর্জেন্তাইন অধিনায়ক হিসেবে বল পায়ে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। ১৯৯১ সালে ড্রাগ কেলেঙ্কারির জন্য প্রায় ১৫ মাস ফুটবল থেকে নির্বাসিত হন। ১৯৯৪ ফুটবল বিশ্বকাপ থেকেও ইফিড্রিন টেস্টে ধরা পড়ায় বাদ পড়েন। এত বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও ২০০৮ সালে আর্জেন্তাইন কোচের দায়িত্বভার নেন। ২০০০ সালে পেলের পাশাপাশি তাকেও বিংশ শতাব্দীর সেরা ফুটবলার হিসেবে ঘোষণা করে ফিফা। হাজারো বিতর্ক থাকলেও মারাদোনা, মারাদোনাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *