World Kidney Day And Sleep Day

বিশ্ব কিডনি ও ঘুম দিবস ।

ইতিহাস লাইফস্টাইল

World Kidney Day And Sleep Day

নিদ্রাহীনতার ফলে স্বাস্থ্যহানীর সমস্যায় আছে বিশ্বের জনসংখ্যার ৪৫% মানুষ!

আজ কাকতালীয় ভাবে দুটি বিশেষ দিবস পালন করা হয় গোটা বিশ্বে| শরীরের সার্বিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিতেই এই পদক্ষেপ| আসলে ক্রনিক কিডনির রোগে আক্রান্তদের সবসময় খেয়াল রাখা উচিত তারা কি পানীয় গ্রহণ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে কিডনিতে চাপ পড়ার কারণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যায়ের বাড়াবাড়ি হলে কিডনি ফেলিওর হয়ে যায় যাকে এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ বলে। আজ বিশ্ব কিডনি দিবস (World Kidney Day)|

দেখে নেওয়া যাক, কিডনির সুস্থতা বজায় রাখবো কি উপায়ে ——-

১. জল– আমরা প্রত্যেকদিন খাওয়া জলের পরিমাণ শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট হতে হবে। আমাদের শরীরের বেশ অনেকটাই জল দিয়ে তৈরি। তাই প্রত্যেক দিন অন্তত আট গ্লাস জল খেতে পারলে কিডনি সুস্থ থাকবে।

২. অ্যালকোহল ও কফি বর্জন– আসলে কিডনির সুস্থতা জীবনযাত্রার উপর নির্ভর করে। কিডনির প্রধান কাজ হলো শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন এবং ক্যাফিন জাতীয় জিনিসকে থেকে বার করে দেওয়া। তাই অ্যালকোহল বর্জন করে ভালো|

৩. ভিটামিন সি– ভিটামিন সি আসলে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষের স্বাস্থ্য বজায় রেখে তার অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। ফলে কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন, বিভিন্ন ফল, ক্যাপসিকাম, টমেটো, ব্রকোলি নিয়মিত খান।

৪. পার্সলের রস– কিডনির জন্য এটি খুবই ভালো, কারণ পার্সলের রস স্বাভাবিক মূত্রের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বেরিয়ে যায়।

৫. আপেল– আপেলের মধ্যে থাকে অ্যাসিড কনটেন্ট। ফলে প্রস্রাবের অ্যাসিডিটির সঠিক ভারসাম্য ও কিডনির সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। নানা ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে।

আর তাই শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়াতে প্রোবায়োটিকের কোনও জুড়ি নেই। এটি কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখে ফলে বাকি শারীরবৃত্তীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। আর ভালো কিডনি মানেই সুস্থ শরীর|

আবার সুনিদ্রার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে ২০০৮ সাল থেকে World Sleep Society বিশ্ব নিদ্রা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতি বছর মার্চ মাসে মহাবিষুবের আগের শুক্রবার এ দিনটি পালন করা হয়। আসলে এই দিনটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুস্থ্যতার জন্য সুনিদ্রার প্রয়োজনীয়তা এবং নিদ্রাহীনতা ও এর চিকিৎসা জনসমক্ষে তুলে ধরা। বিশ্ব নিদ্রা দিবসের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজে এর প্রভাবে জনসচেনতা সৃষ্টি করে।

ঘুম মানুষের একটি অত্যাবশ্যকীয় শরীরতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। নির্দিষ্ট এই ঘুম হলে প্রতিদিন সকালে আমরা সুস্থ অনুভূতি দিয়ে দিন শুরু করতে পারি। অথচ নিদ্রাহীনতার ফলে স্বাস্থ্যহানীর সমস্যায় আছে বিশ্বের জনসংখ্যার ৪৫% মানুষ! সেই ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুক্রবার ঘুম দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সুস্থতার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ঘুমের …….

১. শুধু চোখের নীচে ডার্ক সার্কেল মুছতেই নয় পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ রাখে আপনার হৃত্‍‌পিণ্ড, নিয়ন্ত্রণে রাখে ওজন।


২. ডাক্তাররাই বলছেন, ভালো ঘুমালে স্মৃতিশক্তি বাড়বে ও ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।


৩. আবার অতিরিক্ত অথবা খুব কম ঘুমোলে তার প্রভাব পড়বে আপনার আয়ুর উপর।


৪. যাঁরা রাতে ৬ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোন, তাঁরাই বেশিরভাগ হার্টের অসুখ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিজ, অকাল বার্ধক্যের এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন।


৫. সঠিক ঘুমোলে বাড়বে সৃজনশীলতা।বিশেষত ছবি আঁকার ক্ষেত্রে এটা বিশেষ প্রযোজ্য।


৬. পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে স্বাস্থ্যকর ওজন পান। স্ট্রেস কমাতে বিশেষ সহযোগী ঘুম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ঘুমের জুড়ি মেলা ভার। আর তাই সুস্থ শরীরের জন্য সঠিক ঘুম, খুবই প্রয়োজন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *