Extreme solar storm and sunspots can effect weather of earth

বেপরোয়া সৌর কলঙ্ক ও সৌর ঝড় – বিপদ ঘনাবে পৃথিবীর

বিজ্ঞান

৫০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের এই সৌর কলঙ্ক। ফলে বেপরোয়া সৌর ঝড়ের (Solar storm and sunspots) সম্মুখীন হতে পারে পৃথিবী। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত …

নিজস্ব সংবাদদাতা: পরিবারের কর্তার মেজাজ গরম হয়েছে। পৃথিবী থেকে ১৫ কোটি কিমি দূরে থাকা সূর্য নিজেকে বদলাতে শুরু করেছে। এই পাল্টানো অবস্থা তৃতীয় গ্রহের পক্ষে বেশ বিপদজনক। মহাকাশে দেখা যাচ্ছে ভয় ধরানো “সৌর কলঙ্কের।” বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় AR2770 । সাধারণ নিয়মের “সোলার ফ্লেয়ার” আগেও (Solar storm and sunspots) দেখা গিয়েছে। কিন্তু এটি বড় অঘটন ঘটাতে পারে।

জানা যাচ্ছে, ৫০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের এই সৌর কলঙ্ক। ফলে বেপরোয়া সৌর ঝড়ের সম্মুখীন হতে পারে পৃথিবী। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বেতার পদ্ধতি। সমস্যা দেখা দিতে পারে জিপিএস থেকে বৈদ্যুতিক গ্রিড ও কৃত্রিম উপগ্রহে।

Extreme solar storm and sunspots can effect weather of earth
Extreme solar storm and sunspots can effect weather of earth

আসলে সৌর চক্র একটি ১১ বছরের চক্র। নক্ষত্র সূর্য প্রতি ১১ বছর পরপর ম্যাগনেটিক ফিল্ড এর বিপরীতে ঘুরে যায়। সেই হিসেবে ২২ বছর পর এটা পৃথিবীর দিকে ঘুরে। এই সময় সূর্য বিরূপ আচরণ করতে থাকে। সেইসময় সৌরঝড় এর আবির্ভাব ঘটে। প্রতি ১১তম বছরে সূর্যের কলঙ্কের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেড়ে যায়। সূর্যের বহিঃস্তরের উচ্চতাপযুক্ত প্লাজমার আবরণ থেকে তড়িদাহত কণার স্রোত বেরিয়ে আসে,ফলে গামা রশ্মি, রঞ্জন রশ্মির মত ক্ষতিকর তড়িৎ কনাগুলো সৌরজগতে এবং মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে, একে সৌরঝড় বলা হয়।

[ আরও পড়ুন ]  পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে দুটুকরো ফাটল – মস্ত বিপদের সম্ভাবনা

সৌর কলঙ্কে চৌম্বক তরঙ্গের পরিবর্তনের ফলে তৈরি হয় সোলার ফ্লেয়ার। এখানে তৈরী হতে পারে এক ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। যা সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারে পৃথিবীর বেতার পদ্ধতি। এই সোলার ফ্লেয়ারের শক্তি হিরোসিমা, নাগাসাকি বিস্ফোরণের এক ট্রিলিয়ন গুণ বেশি হতে পারে। তবে সৌর কলঙ্কটি অধিক মাত্রায় শক্তি ছাড়লে সোলার ফ্লেয়ার ও সৌর ঝড় সৃষ্টি হবে। একে বলা হয় “করোনাল মাস ইজেকশন।” মহাকাশের এই ঘটনা আতংকের তৈরী করেছে বিজ্ঞানীদের।

[ আরও পড়ুন ] পৃথিবীকে ১০২৪ বার পাক – দুই নভশ্চর ঝাঁপ দিলেন সমুদ্রে

তৈরী হওয়া নতুন এই সোলার ফ্লেয়ার কিন্তু চিন্তায় রেখেছে নাসা-সহ সমস্ত মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *