Marvin Minsky as an American cognitive scientist concerned largely with research of artificial intelligence

Marvin Minsky: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা – মারভিন মিনস্কি

বিজ্ঞান

যন্ত্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করার কাজ যাঁদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁদেরই একজন ছিলেন মারভিন মিনস্কি (Marvin Minsky) । বিজ্ঞানীদের সাহায্য …

ফাঙ্কেস্টাইনের গল্প প্রায় সকলেরই জানা। বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ এখন অনেক কাজে ব্যবহার করছে রোবটকে। যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতা গোটা বিশ্বকে অবাক করছে। যন্ত্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করার কাজ যাঁদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁদেরই একজন ছিলেন মারভিন মিনস্কি (Marvin Minsky) । বিজ্ঞানীদের সাহায্য করছে বিশ্বের সব চেয়ে দ্রুত গতির সুপার কম্পিউটার- ‘সামিট’ ও ‘সিয়েরা’। এদের মধ্যে প্রথমটি আছে আমেরিকার ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে, আর দ্বিতীয় সুপার কম্পিউটারটি আছে লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে। গতিতেও প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই কম্পিউটার দু’টি।

Marvin Minsky as an American cognitive scientist concerned largely with research of artificial intelligence
Marvin Minsky as an American cognitive scientist concerned largely with research of artificial intelligence

কম্পিউটারকে মানুষের মুখের ভাষা বোঝার প্রযুক্তি উদ্ভাবক মারভিন মিনস্কি কয়েক বছর আগেই মারা গেছেন। ১৯৫৯ সালে গবেষক জন ম্যাককার্থির সঙ্গে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (MIT) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেন মারভিন মিনস্কি। এই শক্তিশালী ও ব্যতিক্রমী গবেষণাগার থেকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার তৈরি হয় যা মানুষের মস্তিষ্কের নিউরনের মতো করে বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারে। ১৯৬৯ সালে কম্পিউটার সায়েন্সের সবচেয়ে বড় পুরস্কার টিউরিং অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। তার দেখানো পথ বিশ্বের অনেক দেশেই এই গবেষণার কাজ চলছে।

পরীক্ষামূলকভাবে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ – আরও জানতে ক্লিক করুন …

এদিকে জানা গেছে, প্রতি সেকেন্ডে ২০০ কোয়াড্রিলিয়ন (১ কোয়াড্রিলিয়ন অর্থাৎ ১-এর পরে ১৫টি ০ ) হিসেব কষে ফেলতে পারে ‘সামিট’। এটি কোনও ভাল ল্যাপটপের থেকে ১০ লক্ষ গুণ বেশি শক্তিশালী। এই মুহূর্তে করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রতিশোধক তৈরিতে বিশেষ সাহায্য করছে ‘আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স’ বা ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’র মস্তিষ্ক। হাজার হাজার রাসায়নিক বিশ্লেষণ তারা সেরে ফেলছে চোখের নিমেষে। এ ভাবে ৭৭টি রাসায়নিককে চিহ্নিত করেছে সুপারকম্পিউটার। করোনা ভাইরাসটি দ্রুততার সাথে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ক্ষতিকর ‘স্পাইক’ প্রোটিনের সাহায্যে। এই ‘স্পাইক’কে আটকানোর ওষুধ তৈরিতে সাহায্য করছে ‘সামিট’।

ওজোন স্তরে বড়ো আকারের ছিদ্র – আরও জানতে ক্লিক করুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *