Biography of footballer Gostha Pal

Gostha Pal: ফুটবল কিংবদন্তি গোষ্ট পালের জন্মদিন

ইতিহাস খেলা

গোষ্ঠ পাল (Gostha Pal) যখন ফুটবল খেলা শুরু করেন তখন ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের জন্ম হয়নি ৷ তিনি ১৮৯৬ সালের ২০শে আগস্ট বাংলাদেশের ভোজেশ্বর গ্রামে …

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতীয় ও বাংলা ফুটবলের এক কিংবদন্তি গোষ্ঠ পাল। মোহনবাগান ক্লাবের সাথে তার গড়ে ওঠে আত্মিক সম্পর্ক। রক্ষণে খেলার জন্য তিনি বিশেষ খ্যাতিলাভ করেছিলেন। দৈনিক ইংলিশম্যান তাকে “চীনের প্রাচীর” উপাধিতে ভূষিত করেছিল। তার পুরো নাম-গোষ্ট বিহারী পাল। গোষ্ঠ পালের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুরে। এই মোহনবাগানী ফুটবলার আসলে বাঙাল ছিল ৷ তবে গোষ্ঠ পাল (Gostha Pal) যখন ফুটবল খেলা শুরু করেন তখন ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের জন্ম হয়নি ৷ তিনি ১৮৯৬ সালের ২০শে আগস্ট বাংলাদেশের ভোজেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

খুব ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলা শুরু করেন । ১৯০৭ সালে মাত্র ১১ বছর বয়েসে তিনি কলকাতার কুমারটুলি ক্লাবে যোগ দেন। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে খেলেছিলেন। ১৯১২ সালে মোহনবাগানের খেলোয়াড় রাজেন সেনের সাহায্যে মোহনবাগানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। এর আগের বছরই অবশ্য মোহনবাগান বিদেশীদের হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জিতেছিল। এই গোষ্ঠপাল ১৯১১ সালে আইএফএ শিল্ড জয়ী মোহনবাগান দলে ছিলেন না ৷ কলকাতার মোহনবাগানে এসে তিনি সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

Biography of footballer Gostha Pal
Biography of footballer Gostha Pal

১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে মোহনবাগানের হয়ে তিনি প্রথম খেলতে নামেন। টানা ২৩ বছর ধরে মোহনবাগানের হয়ে তিনি খেলে গেছেন। তবে ১৯২০ সালে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব প্রথম যে দল গড়ে তাতে ছিলেন এই গোষ্ঠ পাল। ১৯২০ সালে ইস্টবেঙ্গল হারকিউলিস কাপে খেলতে মোহনবাগান থেকে তাকে হায়ার করে ও চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯২১ থেকে টানা ৫বছর তিনি মোহনবাগানের ক্যাপ্টেন ছিলেন ৷ এরপর ১৯২৪ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় দলের অধিনায়ক হন। ভারতীয় দল নিয়ে ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি শ্রীলঙ্কা যান। তিনি একই সাথে হকি, ক্রিকেট ও টেনিস খেলতেন। ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

গ্যাব্রিয়েলা সাবাতিনি, টেনিস খেলার সাথে এই নামটি খুব পরিচিতআরও জানতে ক্লিক করুন …

ইডেন গাডেন্স ও মোহনবাগান মাঠের সামনে দিয়ে যাওয়া কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি গোষ্ঠ পাল সরণি। ওই রাস্তায় তাঁর একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। বাংলায় যতদিন ফুটবল খেলা হবে ততদিন গোষ্টপালের নাম অমর হয়ে থাকবে। ১৯৬২ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরষ্কার লাভ করেন। ঘরের মোহনবাগান ক্লাব তাঁকে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন উপাধীতে ভূষিত করেন।.তিনি ১৯৭৬ সালের ৮ই এপ্রিল ৭৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন। তার নামে ডাকটিকিটও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ছিলেন বাঘের মত বিক্রম, সাপের মত তীব্র চেতনা, চিতার মত ক্ষিপ্রগতি, চীনের প্রাচীরের মত দূর্ভেদ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *