East Bengal FC Celebrating Their 101th Birthday

ইস্টবেঙ্গল আজ গর্বের জন্মদিনে – ইলিশ ও মশালে লালহলুদ

খেলা

দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার এই ক্লাবটি (East Bengal FC) দেশে বিদেশে গর্বের ভূমিকা পালন করেছে। ময়দান মানেই মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ক্লাবটি …

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতীয় ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল এক আবেগের নাম। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার এই ক্লাবটি (East Bengal FC) দেশে বিদেশে গর্বের ভূমিকা পালন করেছে। ময়দান মানেই মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ক্লাবটি মূলত অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দ্বারা সমর্থিত, যারা ১৯০৫ ও ১৯৪৭ এর বাংলা বিভাগের সময় বাসা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। ১৯২০ সালে কোচবিহার কাপে জোড়াবাগান আর মোহনবাগানের খেলার কথা ছিলো। অজ্ঞাত কারণে উল্লেখযোগ্য ডিফেন্ডার সইলেশ বোসকে জোড়াবাগানের প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

East Bengal FC Celebrating Their 101th Birthday
East Bengal FC Celebrating Their 101th Birthday

জোড়াবাগানের সহ-সভাপতি সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী, বোসকে একাদশ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেটা বৃথা গিয়েছিল। এই কারণে চৌধুরী, রাজা মনমথ নাথ চৌধুরী রমেশ চন্দ্র সেন এবং অরবিন্দ ঘোষের সাথে ক্লাবটি ছেড়ে চলে যান। ১৯২০ সালের ১লা আগস্ট সুরেশ চন্দ্রের চৌধুরীর জোড়বাগান বাড়িতে তারা ইস্টবেঙ্গল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সমিতি হিসাবে গঠন করেন। তৈরী হলো এক অধ্যায়ের। ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়া একটা ক্লাব এক বছরের মধ্যে সাতটা ট্রফি জিতে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দেয়।

[ আরও পড়ুন ] কোহলিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মামলা মাদ্রাজ হাই কোর্টে

সেই সচিন শিল্ড থেকে শুরু করে কোচবিহার কাপ, আইএফএ শিল্ড, গিরিজা শিল্ড, ট্রেডস কাপ, আশিয়ান কাপ, জাতীয় লিগ জয়। একের পর এক ট্রফি শোভা পেয়েছে ময়দানের এই ক্লাবে। আক্ষেপ একটাই, বারবার খুব কাছে এসেও আই লিগ ছুঁয়ে দেখতে না পারার হতাশা। ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সাফল্য ২০০৩ জাকার্তায় ইস্টবেঙ্গলের আসিয়ান কাপ জয়। ২০১০-’১৭ টানা ছয় বছর লীগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এই লালহলুদ।

[ আরও পড়ুন ]  ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ গোয়ার ফ্রান্সিসকো ব্রুটো দ্য কোস্টা

পাঁচের দশকে ইস্টবেঙ্গলের সেই পাঁচ সোনার ফরোয়ার্ড লাইন। ভেঙ্কটেশ-ধনরাজ-আমেদ খান-আপ্পারাও-সালে। ১৯৪৯-’৫৩, পাঁচ বছর গোটা ভারতে ধুলো উড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল ১০টা টপক্লাস টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হয়। পঞ্চপাণ্ডবের আমলেই প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইস্টবেঙ্গল টানা তিনবার (১৯৪৯-’৫১) আইএফএ শিল্ড জিতেছিল। লাল-হলুদের প্রথম রোভার্স কাপ (১৯৪৯), ডুরান্ড কাপ (১৯৫১), ডিসিএম ট্রফি (১৯৫২) জেতা পঞ্চপাণ্ডবের সময়ে। ১৯৭২-এ ভারতীয় ফুটবলে প্রথম ক্লাব হিসেবে ত্রিমুকুট পায় ইস্টবেঙ্গল। পঁচাত্তরের শিল্ড ফাইনালে প্রিয় মোহনবাগানকে পাঁচ গোলে হারায়। আজ করোনা আবহে এই জন্মদিন পালন চেনা ছন্দে হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *