Quess chairman says that East Bengal can become Liverpool FC of Indian football as he returns sporting rights

ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য ‘স্পোর্টিং রাইটস’ ছাড়ছে কোয়েস

খেলা

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘স্পোর্টিং রাইটস’ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে (East Bengal) ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিলেন কোয়েস চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাক। গত ৩১ই মে’এর পর …

নিজস্ব সংবাদদাতা: অবশেষে লাল হলুদের জট কাটতে চলেছে। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এবার স্বস্তির শ্বাস নিতে পারবে। আনন্দে মাতোয়ারা হবে অগণিত অনুরাগী। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘স্পোর্টিং রাইটস’ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে (East Bengal) ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিলেন কোয়েস চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাক। গত ৩১ই মে’এর পর ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু স্পোর্টিং রাইটস ফিরিয়ে না দেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব অব্যাহত ছিল।

Quess chairman says that East Bengal can become Liverpool FC of Indian football as he returns sporting rights
Quess chairman says that East Bengal can become Liverpool FC of Indian football as he returns sporting rights

আসলে এই চুক্তি বিচ্ছেদ নিয়ে অজিত আইজ্যাক ইস্টবেঙ্গলের কাছে এখনও পর্যন্ত কেন অর্থ দাবি করেননি। ময়দানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান অনেক আগেই ঘর গুছিয়ে ফেলেছে। মনে করা হচ্ছে, স্পোর্টিং রাইটস আটকে রাখার পিছনে প্রধান কারণ হল ক্লাবকর্তাদের প্রতি অভিমান। কোয়েস গত দুই বছরে প্রায় ৪২ কোটি টাকা খরচ করেছেন। তা সত্ত্বেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বিচ্ছেদ তিনি চাননি। ইস্টবেঙ্গলের প্রতি ভালোবাসা থেকে নিজের হোয়াটসঅ্যাপ ডিটিতে ইস্টবেঙ্গলের লোগো লাগিয়ে রেখেছিলেন।

[ আরও পড়ুন ] কোচ দ্বন্দে বার্সেলোনা ছাড়তে চলেছেন মেসি!

তিনি চাইছেন না মূলত তার জন্য, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব আই লিগ খেলা থেকে বঞ্চিত হোক। তাই কিছুটা বিরক্ত হয়ে আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দ্রুত করেননি। আপাতত সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোয়েস কর্তাদের আলোচনাতে ঠিক হয়েছে, ইস্টবেঙ্গল ও কোয়েস কোনও পক্ষই কোনও দাবি জানাবে না। ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়, একদিন ক্লাবের বিপদের দিনে কোয়েসকে এনেছিলেন।

[ আরও পড়ুন ] বিরাট শাস্তি পেতে পারেন কোহলি – একাধিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত

আসলে কোয়েস না ছাড়লে ইস্টবেঙ্গলের খেলা সম্ভব নয়, সেটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ফেডারেশন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ভারতীয় ফুটবলে খেলবে না, এটাকেও মানতে পারছিলেন না ফেডারেশন কর্তারা। সব ভালো যার শেষ ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *