Roberto Carlos da Silva Rocha, more commonly known as Roberto Carlos, is a Brazilian retired professional footballer

Roberto Carlos: ফুটবলার রবার্তো কার্লোসের জন্মদিন

খেলা

রবার্তো কার্লোস (Roberto Carlos), পুরো নাম রোবের্তো কার্লোস দা সিলভা একজন ব্রাজিলীয় ফুটবলার। তিনি ১৯৭৩ সালের আজকের দিনে, ১০ই এপ্রিল জন্ম …

রবার্তো কার্লোস (Roberto Carlos), পুরো নাম রোবের্তো কার্লোস দা সিলভা একজন ব্রাজিলীয় ফুটবলার। তিনি ১৯৭৩ সালের আজকের দিনে, ১০ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ক্লাব ফুটবলেও তার খেলা সারা পৃথিবীর ফুটবলপ্রেমীদের মন কেড়ে নিয়েছিল। জীবনের শুরুতে ছিল দারিদ্র্য, ক্ষুধা আর সংগ্রাম। নয় বছর বয়সে তাঁকে যোগ দিতে হয়েছিল কফির বাগানে। কাজ ছিল কফি সংগ্রহ করা। এর মাঝেই সুযোগ চলে আসে তার সামনে। এক ম্যাচে তাঁর দুরন্ত ফ্রি কিক চোখে পড়ে এজেন্টদের। এই ফ্রি কিকের জন্যই এক স্থানীয় ক্লাব তাকে টেনে নেয়। ব্যাস, জীবনের ধারা গেলো পাল্টে।

তিন পাক ক্রিকেটারের ফাঁসির দাবি – আরও জানতে ক্লিক করুন …

আজীবন এই ফ্রি কিক দিয়েই মানুষের মনে টিকে আছেন, থাকবেন টেকো মাথার লোকটা—রবার্তো কার্লোস। অসাধারণ দম, শক্তি, গতি, টেকনিকাল দক্ষতা আর পায়ের জোর দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে গেলেন ক্লাব কোচ। মুহূর্তেই ইয়ুথ অ্যাকাডেমিতে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করলেন তিনি। ১৯৯১ সালে রবার্তো কার্লোস সাও জোয়াও-এ পেশাদার ফুটবলার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এক মৌসুম পার হতে না হতেই ক্লাবের হয়ে অসাধারণ পারফর্মেন্সের কারণে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পেলেন তিনি। প্রথম বছরেই জাতীয় দলের হয়ে খেলে ফেলেন ৭টি ম্যাচ। সাও জোয়াও-এ দুই বছর কাটানোর পর নাম লেখালেন ব্রাজিলের পালমেইরাস ক্লাবে।

Roberto Carlos da Silva Rocha, more commonly known as Roberto Carlos, is a Brazilian retired professional footballer
Roberto Carlos da Silva Rocha, more commonly known as Roberto Carlos, is a Brazilian retired professional footballer

১৯ বছর বয়সে তাঁকে চোখে পড়ে অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর। মিনেইরো তাদের ‘বি’ দলের সঙ্গে তাকে কোপা কনমেবোল কাপে পাঠায়। ইন্টার মিলানে অসাধারণ একটা মৌসুম কাটানোর পরেও দল হিসেবে ব্যর্থ হয় দল। এরপর ব্রাজিলিয়ান লেফট ব্যাককে রিয়াল মাদ্রিদে টেনে আনেন ক্যাপেলো। ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলের অন্যতম সেরা দল নিয়ে বিশ্বকাপে যান রবার্তো কার্লোস। ব্রাজিলের হয়েও নিজের খেলা চালিয়ে যান, কিন্তু ফাইনালে এক জিদানের কাছে হার মানতে হয় ব্রাজিলকে।

না ফেরার দেশে ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায় – আরও জানতে ক্লিক করুন …

রিয়ালের হয়ে তিনি ৩৭০ ম্যাচে করেছেন ৪৭টি গোল, জিতেছেন ৪টি লিগ শিরোপা, ৩টি করে চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং স্প্যানিশ কাপ। ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে, ১৯৯৭ সালে জিতেছেন ফিফা প্লেয়ার অব দ্য ইয়ারের রুপা, ২০০২ সালে হয়েছেন ব্যালন ডি’অর রানারআপ এবং দুবার করে জিতেছেন উয়েফা ক্লাব ডিফেন্ডার অব দ্য ইয়ার। ইউরোপের সর্বোচ্চ শিরোপা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জ্বলে উঠল তার হাতে। পরের বছরও আবারো তার হাতে দেখা গেল ব্রাজিলের হয়ে দুই বছর আগে জয় করা কোপা আমেরিকা। ২০১১ সালে ২৮ ম্যাচে ৫ গোল করে অবশেষে ২২ বছরের দীর্ঘ প্রোফেশনাল ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন রবার্তো ‘দ্য বুলেটম্যান’ কার্লোস। জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইলো, ভালো থেকো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *