Bakreswar Tour Plan in Bengali

Bakreswar Tour: বক্রেশ্বর ভ্রমণ

ভ্রমণ

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেডের বক্রেশ্বর ( (Bakreswar Tour ) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এই শহরের কাছে। বক্রেশ্বর শব্দটি এসেছে স্থানীয় বক্রেশ্বর শিবের নামানুসারে।

বক্রেশ্বর (Bakreswar Tour) পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সিউড়ি সদর মহকুমার একটি শহর। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেডের বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এই শহরের কাছে। বক্রেশ্বর শব্দটি এসেছে স্থানীয় বক্রেশ্বর শিবের নামানুসারে। বক্র শব্দটির অর্থ বাঁকা; ঈশ্বর অর্থে ভগবান। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, সত্যযুগে লক্ষ্মী ও নারায়ণের বিবাহ অনুষ্ঠানে সুব্রত মুণি দেবরাজ ইন্দ্র কর্তৃক অপমানিত হন। বাকরুদ্ধ ঋষির দেহ আটটি বাঁকে বেঁকে যায়। তিনি অষ্টবক্র ঋষি নামে পরিচিত হন।

দেখবেন কি কি :-
১. উষ্ণ প্রস্রবণ
বক্রেশ্বরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এর উষ্ণ প্রস্রবণগুলি। এই শহরে দশটি উষ্ণ প্রস্রবণ আছে; এগুলি হল – পাপহরা গঙ্গা, বৈতরণী গঙ্গা, খরকুণ্ড, ভৈরবকুণ্ড, অগ্নিকুণ্ড, দুধকুণ্ড, সূর্যকুণ্ড, শ্বেতগঙ্গা, ব্রহ্মাকুণ্ড, অমৃতকুণ্ড। খর, ভৈরব ও সূর্যকুণ্ডের জলের তাপমাত্রা যথাক্রমে ৬৬, ৬৫ ও ৬১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অগ্নিকুণ্ডের তাপমাত্রা ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই কুণ্ডের জলে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সিলিকেট, ক্লোরাইড, বাইকার্বোনেট ও সালফেট পাওয়া যায়, যা ঔষধিগুণসম্পন্ন। দুধকুণ্ডের তাপমাত্রা ৬৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২. বক্রেশ্বর শিবের মন্দির
অষ্টবক্র ঋষি নাম অনুসারে এই স্থানের নাম বক্রেশ্বর| হিন্দুদের তীর্থকেন্ডের মধ্যে এটি প্রসিদ্ধ| বক্রেশ্বরে শিব মন্দির ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম এক তীর্থ।সতীর দুই ভ্রু-র মধ্যস্থল বা হৃদয় পড়েছিল বক্রেশ্বরে।মন্দির গুলি ধেকতে খুব সুন্দর|

Bakreswar Shiva Temple
Bakreswar Shiva Temple

৩. বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলায় অবস্থিত চিনপাই ও ভুরকুনা গ্রাম পঞ্চায়েতে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।বক্রেশ্বর নদের তীরে পানাগড়-মোরগ্রাম সড়কের ধারে বক্রেশ্বর মন্দির ও উষ্ণ প্রস্রবনের কিছু দূরে এটি অবস্থিত। অন্ডাল-সাঁইথিয়া ব্রাঞ্চ লাইনের চিনপাই রেল স্টেশনটি এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটতম রেল স্টেশন এবং বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র টাউনশিপ এর কাছেই অবস্থিত।

যাবেন কি ভাবে :-
রামপুরহাট অথবা তারাপীঠ স্টেশন থেকে দুবরাজপুর গামী যেকোনো ট্রেন এ করে দুবরাজপুর স্টেশনে নেমে ১৫ মিনিট অটো অথবা বাসে ২০ মিনিটের পথ|
হাওড়া থেকে— দুবরাজপুর স্টেশন
রামপুর হাট এক্স —–১১-৫৫ মিনিট হাওড়া থেকে ছাড়ে ।

থাকবেন কোথায় :-
দুবরাজপুরে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে| সেই হোটেল ভাড়া ৪০০ টাকা থেকে শুরু| তবে এখানে AC এবং NON AC সবরকম হোটেল পাবেন|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *