Supreme court of India stays Puri Rath yatra due to public safety

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইতিহাসে প্রথমবার পুরীর রথযাত্রা স্থগিত

ভারতবর্ষ ভ্রমণ

কলা বেচা হলেও , রথ দেখা যাবে না। বন্ধ হলো পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা (Puri Rath Yatra 2020)। ভাইরাসের আবহে জগন্নাথের রথযাত্রা থামাতে বললো …

নিজস্ব প্রতিবেদন: নিয়ন মেনে বর্ষা নেমেছে। ক্যালেন্ডার জানাচ্ছে সামনেই রথযাত্রা। কিন্তু অনুজীবীর ত্রাসে কাঁপছে গোটা ভারত। জমায়েত একেবারেই নিষিদ্ধ। কলা বেচা হলেও , রথ দেখা যাবে না। বন্ধ হলো পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা (Puri Rath Yatra 2020)। ভাইরাসের আবহে জগন্নাথের রথযাত্রা থামাতে বললো দেশের শীর্ষ আদালত। আজ সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে জানান , “এ বছর রথযাত্রার অনুমতি দিলে জগন্নাথদেব কাউকে ক্ষমা করবেন না।”

Lord Jagannath and Balaram with Goddess Subhadra
Lord Jagannath and Balaram with Goddess Subhadra

আগামী ২৩শে জুন জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে জমায়েতের অনুমতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। জনস্বাস্থ্যের স্বার্থই এই সাহসী সিদ্ধান্ত। একটি বেসরকারি সংস্থা একটি পিটিশন দিয়ে জানিয়েছিল “এই সময় রথযাত্রা হলে সেটা অগণিত আগতদের করোনার আমন্ত্রণ হবে।” এই প্রথমবার স্থগিত থাকবে পুরীর ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা উত্‍সব।

ইতালি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে – আরও জানতে ক্লিক করুন …

বিগত ইতিহাস ঘটলে জানা যায়, এই উৎসবে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। তিল ধরণের জায়গা থাকে না ওড়িশার এই সৈকত শহরে। ভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষিতে সেই রথযাত্রা পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলাতেই জনস্বাস্থ্যের কথা ভেবে এযাবরের রথযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল শীর্ষ আদালত।

কলকাতা শহরের সেরা ২০ টি মুখ্য ভ্রমণ স্থল – আরও জানতে ক্লিক করুন …

তবে সমাগম কমাতে এর আগেই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ হাতি বা মেশিনে টানা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল ওডিশা হাইকোর্ট। দেশ বিদেশের বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অতিমহামারীর পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জনবহুল জায়গায় রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। শীর্ষ আদালত মন্তব্য করে, “জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এবছর রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।”

এর আগে নিজেদের উদ্যোগেই রথযাত্রা এই বছর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাহশ এবং ইসকন। কেন্দ্রীয় সরকারও লকডাউন শিথিল করেও ধর্মস্থান খোলা নিয়ে সতর্ক রয়েছে। কারণ করোনা সংক্রমণ কমানোই এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *