629 Pakistani brides sold to China

Brides Sold: কনে হিসেবে ৬২৯ পাকিস্তানি তরুণীকে চীনে বিক্রি

আন্তর্জাতিক

এ ঘটনা পাকিস্থানের। গত ১৮ মাসে ৬২৯ পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে জোর করে কনে হিসেবে চীনে বিক্রির (Brides Sold) ঘটনা ঘটেছে!

মিত্রতার কি অসম পরিণতি! নারীর মূল্যায়ন ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে। এ ঘটনা পাকিস্থানের। গত ১৮ মাসে ৬২৯ পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে জোর করে কনে হিসেবে চীনে বিক্রির (Brides Sold) ঘটনা ঘটেছে! পাকিস্তান থেকে অন্য কোন দেশে নারী পাচার সংক্রান্ত এক অনুসন্ধান কমিটির প্রকাশিত একটি তালিকাতে এই তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ ব্যাপারে একেবারেই নীরব পাক সরকার। ইমরানের পাক সরকারের নিষ্ক্রিয়তায়, এই ধরণের পাচারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ৬২৯ জন নারীকে কনে হিসেবে চীনে বিক্রি করা হয়েছে। এসকল নারীর সবাইকেই তাদের পরিবারের সদস্যরাই টাকার লোভে বিক্রি করেছে। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

629 Pakistani brides sold to China
629 Pakistani brides sold to China

বেইজিংয়ের সঙ্গে পাক সরকারের বাণিজ্য সুসম্পর্ক রয়েছে। সম্পর্ক খারাপ হওয়ার ভয়ে সরকারের উপর মহল বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ না নিতে চাপ দিয়ে আসছে। প্রশাসন থেকে যথেষ্ট কঠোরতা না দেখানোয় পাচারচক্ররা আরও মজবুত হয়েছে। তাদের অপরাধের মাত্রা ক্রমশ বেড়েই চলছে। কারণ এসব পাচারচক্রের সদস্য জানে, বিপদে পড়লেও প্রশাসনের অচলাবস্থার সুযোগে সেখান থেকে বেঁচে যেতে পারবে তারা। গোয়েন্দাদের একটি নথিতে ৬২৯ পাক নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র এবং তাদের চীনা স্বামীদের নাম ও বিয়ের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যে ওই নারীদের কনে হিসেবে চীনে পাচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

চলতি বছরের অক্টোবরে মানবপাচারের ঘটনায় ৩১ চীনা নাগরিককে অভিযুক্ত করেছিলেন ফয়সালাবাদের একটি আদালত। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে ফয়সালাবাদের একটি আদালত থেকে তারা খালাস পেয়ে যায়। পাচার থেকে উদ্ধার হওয়া নারীদের নিয়ে কাজ করা কর্মী সালিম ইকবাল জানান , সীমান্তে পাচারসহ নানা অপরাধ নিয়ে কাজ করা ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফডিআই) এর পাচার সংক্রান্ত তদন্ত বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়। এফডিআই কর্মকর্তাদের বদলির ঘটনাও ঘটেছে। পাচার বিষয়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে অভিযোগ করলেও তারা সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন না বলে জানান ইকবাল। অন্য দিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় পাচার হওয়া নারীর তালিকা বিষয়ে অবগত নয় বলে জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *