Al Aqsa mosque attack in Jerusalem

জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ইহুদি হানা

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলের দখলদারী বাহিনীর সহায়তায় পবিত্র আল-আকসা মসজিদে (Al Aqsa mosque) প্রবেশ করে ইহুদিদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘তালমূদীয় ‘ উদযাপনের …

নিজস্ব সংবাদদাতা: জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা সকলের কাছেই সুপরিচিত। পবিত্র এই ধর্মীয় ভবন বহু দিন ধরে শ্রদ্ধার জায়গা হয়ে উঠেছে। সেই মসজিদ ভবনে কমবেশি ৯০০ ইহুদি প্রবেশ করেছে। ইসরাইলের দখলদারী বাহিনীর সহায়তায় পবিত্র আল-আকসা মসজিদে (Al Aqsa mosque) প্রবেশ করে ইহুদিদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘তালমূদীয় ‘ উদযাপনের চেষ্টা চালায়। শহরটির মুসলিম ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর তদারকি দায়িত্বে রয়েছে জর্ডান পরিচালিত রিলিজিয়াস এন্ডোমেন্টস অথরিটি। জানা যাচ্ছে, ইসরায়েল পুলিশের সঙ্গে প্রায় একাধিক ইহুদি মসজিদ ভবনে ঢুকেছে।

Al Aqsa mosque attack in Jerusalem
Al Aqsa mosque attack in Jerusalem

জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ হলো মুসলিমদের কাছে তৃতীয় ধর্মীয় পবিত্র স্থান। এর সাথে একই প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। স্থাপনাগুলো সহ এই পুরো স্থানটিকে হারাম আল শরিফ বলা হয়। স্থানটি “টেম্পল মাউন্ট “ বলে পরিচত এবং ইহুদি ধর্মে পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। অথচ এখানেই ইহুদিদের পবিত্র স্থান টেম্পল মাউন্ট আছে বলে দাবি করে ইসরায়েলিরা। তারা স্বগর্বে মনে করে, এই স্থানটিতে আছে ইহুদি ধর্মের প্রাচীন পবিত্র ভূমি।

[ আরও পড়ুন ] অস্ট্রেলিয়ার দাবানলে বিপর্যস্থ ৩০০ কোটি প্রাণী

প্রত্যেকেই মসজিদটির আল মুঘারবাহ প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করে। সেখানে প্রবেশ করে তারা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘তালমূদীয়’ উদযাপনের চেষ্টা চালায়। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ইস্ট জেরুজালেম দখল করে। আর ওই স্থানটিতে অবস্থান আল-আকসা মসজিদের। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনো দিন তাদের এই দখলকাণ্ডের স্বীকৃতি দেয়নি। মসজিদুল আকসা অর্থ “দূরবর্তী মসজিদ”। মিরাজের রাতে মুহাম্মদ (সা) বোরাকে চড়ে মক্কা থেকে এখানে এসেছিলেন মর্মে কুরআনে উল্লেখ আছে। অনেক বছর ধরে মসজিদুল আকসা বলতে পুরো এলাকাকে ও মসজিদকে আল-জামি আল-আকসা বলা হত।

[ আরও পড়ুন ] চীনের কাছের আকাশে মার্কিন জঙ্গিবিমান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *