Brazil Airplane Dumping Water to Control Amazon Forest Fire

Amazon Forest Fire: যুদ্ধ বিমান থেকে জল ঢালছে ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক

যেসব বেসরকারি সংগঠনের তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে আমাজনে আগুন (Amazon Forest Fire) দিচ্ছে।

আমাজনের পরিস্থিতি অনেকটাই উদ্বেগের। গোটা পৃথিবীর চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে তার আগুন। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ার বোলসোনারো জানিয়েছেন, যেসব বেসরকারি সংগঠনের তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে আমাজনে আগুন (Amazon Forest Fire) দিচ্ছে। যদিও এ কথার সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি তিনি। ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্পেস রিসার্চ জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে আমাজনে রেকর্ডসংখ্যক দাবানল হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার ৮৩ শতাংশ বেশি আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

Brazil Airplane Dumping Water to Control Amazon Forest Fire
Brazil Airplane Dumping Water to Control Amazon Forest Fire

বেপরোয়া দাবানলের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট আমাজন। অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে একাধিক যুদ্ধবিমান থেকে জল ঢালা শুরু করেছে ব্রাজিল প্রশাসন। আমাজনের রোনদোনিয়া রাজ্য থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ব্রাজিলের যুদ্ধবিমান। জরুরি ভিত্তিতে সেখানে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। জানা যাচ্ছে, ছোট-বড় মিলিয়ে ৪০ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা একটু একটু করে শেষ করে দিচ্ছে পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেনের জোগানদাতা এই অরণ্যকে। প্রতিবছর ২০০ কোটি মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এই বন।

প্রখ্যাত জলবায়ুবিজ্ঞানী কার্লোস নোব্রে জানান, গবাদিপশুর চারণভূমি হিসেবে জমি ব্যবহার করতে চাওয়া কৃষকেরা জায়গা পরিষ্কার করতে শুকনো মৌসুমের জন্য অপেক্ষা করেন। এ সময় বন দাহ্য হয়ে থাকে এবং খুব সহজেই তাতে আগুন লাগে। সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক নোব্রে বলেন, আমাজনে কর্মরত এনজিওগুলো কৃষিকাজে আগুন ব্যবহার করে না। তারা বরং গ্রামীণ লোকজনকে আগুন এড়াতে উৎসাহিত করে। গত তিন সপ্তাহে বনটির প্রায় আট হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা আগুনে পুড়ে গেছে। ২০১৩ সালের পর এটাই সর্বোচ্চ।

পরিবেশবাদী এনজিওগুলোকে বারবার আক্রমণ করেছেন প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ত্যাগের হুমকি দেওয়া বলসোনারো। তাঁর দাবি, দেশের পূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিকাশের পথে বাধা হিসেবে কাজ করছে নামি অনামী এনজিওগুলো। তবে আমাজনের দুর্দশার জন্য জায়ার বোলসোনারোকে দুষেছেন রক্ষণশীলরা। তিনি কাঠুরে ও কৃষকদের জমি সাফ করতে উৎসাহিত করেছেন – আর এর ফলে বনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। গত রোববার জি-৭ সম্মেলনে ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, আমাজনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে যে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক সহায়তা দিতে একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে জি-৭।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *