After Doklam China Building Airport Adjacent To India Tibet Border

ভারত সীমান্ত সংলগ্ন তিব্বতে বিমানবন্দর বানাচ্ছে চিন – After Doklam China Building Airport Adjacent to India Tibet Border

আন্তর্জাতিক

তিব্বতে ভারত সীমান্তে বিমানবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনা করল চিন। জানা যাচ্ছে তিব্বতের গোঙ্গায় এই আধুনিক বিমানবন্দর গড়ে উঠবে !

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভারত ও চীন এখন প্রথমসারিতে| এই দুই দেশকে খুব হিসাব করে চলে বিশ্বের যেকোনো দেশই| পৃথিবীর জনসংখ্যার সিংহ ভাগটাই অবস্থান করে এই দুই দেশে| জনসংখ্যার সাথে তাল মিলিয়ে বাড়াতে চলেছে শক্তির সম্ভার| যুদ্ধের আবহাওয়া না থাকলেও গোপনে শুরু হয়েছে, নিখুঁত প্রস্তুতি থাকার ব্যস্ততা| সুবিশাল হিমালয়ের দুপাশে কঠিন পরিবেশের মাঝেই গড়ে উঠছে সৈন্য শিবিরের আস্তানা|

আর তাই তিব্বতে ভারত সীমান্তে বিমানবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনা করল চিন। জানা যাচ্ছে তিব্বতের গোঙ্গায় এই আধুনিক বিমানবন্দর গড়ে উঠবে । খুব সম্প্রতি ভারত ও চিনের মধ্যে তাপবাহী ডোকালাম-তিক্ততা এখনও পুরোপুরি অতীত হয়নি। তার মধ্যেই তিব্বতে চীন সেনা মোতায়েনের কাজ ক্রমশ বাড়িয়ে যাচ্ছে সে দেশের সরকার।

The Doklam standoff at the junction of India, China and Bhutan Border

The Doklam standoff at the junction of India, China and Bhutan Border

এরই মধ্যে ভারত সীমান্তে বিমানবন্দর তৈরির বিষয়টি সামনে নজরে আসে। ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত সীমান্তে সামরিক কার্যকলাপকে আরও মসৃন কায়দায় বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু চীন জানিয়েছে যে, বিমানবন্দরটি অসামরিক হবে। এছাড়া ঐরকম আরও তিনটি বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। গোটা পরিস্থিতির উপর ভারতের নজর রয়েছে।

বিশেষ করে ডোকালামের পর থেকে চীন সীমান্তে, ভারতের নজরদারি বেড়েছে। জানা যাচ্ছে ,ভারত সীমান্তে চিন ক্রমশ সামরিক ঘাঁটি বাড়াচ্ছে। এমনকী, অত্যাধুনিক গাইডেড মিশাইলের একটি গোপন ঘাঁটি গোপনে তৈরি করা হয়েছে। সেটি তৈরি করা হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ থেকে কমবেশি ৯০০ কিলোমিটারের দূরত্বে। প্রতিবেশী চিনের কাছে নানা ধরনের উন্নত মিসাইল রয়েছে। সেই বিপদের সহজেই মিসাইলগুলি আড়াইশো কিলোমিটার থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে। এই সব মিসাইল পরিচালনার জন্য পিএলএ রকেট ফোর্স নামে আলাদা একটি বাহিনীও রয়েছে চিনের।

ভারতের কাছে এই খবর বেশি গুরুত্বপূর্ন কারণ ওই বিমানবন্দর আমাদের রাজধানী থেকে মাত্র ১৩০০কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। একইরকমভাবে চিন রাশিয়ার সীমান্তেও এয়ারপোর্ট বেস তৈরি করে রেখেছে। যদিও ডোকালাম নিয়ে সাময়িক গোলমালের পর দুই দেশের সীমান্ত শান্ত ও বন্ধুত্বের। দুই দেশের সেনার তরফে একাধিকবার বৈঠক ও দুই দেশের জওয়ানরা যোগ-কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, যুদ্ধ মুক্ত থাকবে পৃথিবী|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *