Heatwave in France Kills Over 1500 People

Heatwave in France: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে ১৫০০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক

পশ্চিম ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে (Heatwave in France) রেকর্ড করেছে – সেখানে দেড় হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

গরমের দাপট শুধু প্রাশ্চ্যে নয় – এখন তা প্রাশ্চাত্যকেও হয় ধরিয়েছে সহজেই। পশ্চিম ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে (Heatwave in France) রেকর্ড করেছে – সেখানে দেড় হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আজ সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের গ্রীষ্মে (জুন ও জুলাই মাসে) ফ্রান্সে প্রচণ্ড দাবদাহের কারণে প্রায় ১ হাজার ৪৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফ্রেন্স রেডিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাজনেস বুজিন বলেন, তাদের অর্ধেকের বয়স ৭৫ বছরের ওপরে। গোটা ফ্রান্সবাসী এই গরমকে এর আগে দেখে নি। এছাড়া বিভিন্নরকম প্রচারণার মাধ্যমে গরমের ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক করায় মৃতের সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মৃতের সংখ্যাটা বেশি হলেও তাদের কিছুটা হলেও সন্তুষ্ট থাকা উচিত। কারণ ২০০৩ সালের তুলনায় মৃতের সংখ্যা ফ্রান্স ১০ গুণ কমাতে সক্ষম হয়েছে । গরমের কারণে এ বছর ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় রেড এলার্ট জারি করা হয়েছিল। এছাড়া দেশটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। দেশটির বড় বড় পার্ক ও সুইমিং পুল সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল যাতে মানুষ গরম থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পায়। প্যারিস কর্তৃপক্ষ জরুরি ফোন সুবিধা রাখারা পাশাপাশি স্থানীয় পৌরভবনে ঠাণ্ডা ঘরের ব্যবস্থা করেছিল। চলতি বছর ফ্রান্সের সর্বোচ্চ তামপাত্রা মাপা হয়েছিল ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশটির রাজধানী প্যারিসের সর্বোচ্চ তামমাত্রা ছিল ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের গ্রীষ্মের ২৪শে জুন থেকে ৭ই জুলাই পর্যন্ত প্রথম তাপদাহে ফ্রান্সে ৫৬৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। পরবর্তী ২১শে থেকে ২৭শে জুলাইয়ে আরও ৮৬৮ জন মারা গেছেন। সে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাজনেস বুজিন জানান , এদের মধ্যে ১০ জনের প্রাণ গেছে কর্মস্থলে। এ বছরের গ্রীষ্মের ভয়াবহতার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। এই সময়ে অনেক স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। ২০০৩ সালে অতিরিক্ত গরমের কারণে গ্রীষ্ম মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ ১৫০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। ফলে দূষণের চাপ কমানোর চেষ্টাতে ব্যস্ত থাকবে গোটা বিশ্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *