Imran Khan Accepts Pakistan Army Trained Militants of Al Qaeda

Imran Khan: আল কায়দাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে পাক সেনা

আন্তর্জাতিক

পাক প্রধানমন্ত্রী (Imran Khan) স্বীকার করলেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়দাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে পাক সেনা ও কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

সত্য়ি স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের ইমরান (Imran Khan)। এতদিনে সবটা পরিষ্কার করে তিনি জানালেন। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানান, পাকিস্তানের সেনা এবং গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই আল–কায়দা জঙ্গি সংগঠনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। এই মন্তব্য নিয়ে এখন জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার ফাঁকে ইমরান বলেন, ‘‌১৯৮০ সালে যখন আফগানিস্তান আক্রমণ করল সোভিয়েত তখন আমেরিকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে সোভিয়েতদের রুখে ছিল পাকিস্তান। সোভিয়েতের বিরুদ্ধে জেহাদের জন্য বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্র থেকে জঙ্গিদের এনে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল আইএসআই। ফলে আমরাই জঙ্গি তৈরি করে ফেললাম। জেহাদিরা তখন নায়কের মর্যাদা পায়। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত আফগানিস্তান ছেড়ে চলে গেল, আর আমরা পড়ে রইলাম এই জঙ্গিদের নিয়ে।’‌

চিরায়ত সন্ত্রাস নিয়ে ভারতের অভিযোগে এবার সিলমোহর দিলেন খোদ ইমরান খান। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাক প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করলেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়দাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে পাক সেনা ও কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তবে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মুখ খুললেও কিন্তু কৌশলে নিজের দায় ঝেড়ে ফেলেন তিনি। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ইমরান খানের দাবি, ৯/১১ হামলার পর থেকেই আল কায়দার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে পাকিস্তান। যদিও পাক সেনার অন্দরে অনেকেই এই বিষয়ে সহমত ছিলেন না। ফলে তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের উপর একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলাও হয়। অ্যাবোটাবাদে লাদেনের সঙ্গে নিচু তলার সেনাকর্মীদের যোগাযোগ ছিল।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, কুখ্যাত সেই ৯/১১ জঙ্গি হামলার পরেও আবার ভুল কিছু নীতি নিয়েছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ। এখন মুশারফকে দোষারোপ করতে গিয়ে নিজেই পরিষ্কার করে দেন, জঙ্গিদের মদত দেয় পাকিস্তান। আমেরিকার ডাকে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সাড়া দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলেছেন তিনি। ইসলামাবাদের দাবি জম্মু-কাশ্মীরে নিপীড়ন চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। তবে সাধারণ সভার বৈঠকের আগেই ইমরান খানের বেফাঁস মন্তব্যে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে পাকিস্তান। এমনিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্য। উল্লেখ্য, ‘হাউডি মোদি’ জনসভায় ‘ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ’ ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *