Iran is close to develop hypersonic missiles system

ইরান খুব দ্রুত হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে

আন্তর্জাতিক

ইরানের সেনাবাহিনীর নৌ বিভাগের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল খানযাদি জানান, “আমরা খুব দ্রুত হাইপারসোনিক (Hypersonic missiles) ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করব।”

নিজস্ব প্রতিবেদন: যুদ্ধ অস্ত্রে সব দেশই উন্নতি করতে মরিয়া। ভাইরাস এই অস্ত্রের পাশে তুচ্ছ। শান্তি খোঁজার আগে নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে সকল দেশ। ভয় ও আতঙ্ক দিনদিন মানুষকে দিন দিন গ্রাস করছে। প্রকৃতির সাথে অর্থনীতিও চোখ রাঙাচ্ছে। বাড়ছে তৃতীয় ও শেষ বিশ্ব যুদ্ধের সম্ভাবনা। ইরানও এই পথের পথিক। ইরানের সেনাবাহিনীর নৌ বিভাগের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল খানযাদি জানান, “আমরা খুব দ্রুত হাইপারসোনিক (Hypersonic missiles) ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করব।”

Average speed of hypersonic missile
Average speed of hypersonic missile

স্টেট অফ দা আর্ট হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে চলেছে ইরান। আসলে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রে টার্বোফ্যান ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। তাই ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ইরান সাগরে নিক্ষেপযোগ্য স্বল্প ও দীর্ঘ পাল্লার কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে।

How does these hypersonic missile act during action time?
How does these hypersonic missile act during action time?

এই সময় ইরান যেসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তা শব্দের গতির কাছাকাছি পর্যায়ের। সাধারণ মিসাইলের মতো হাইপারসোনিক মিসাইল সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে ম্যানুয়েভার করে। অর্থাৎ গতিপ্রকৃতি আলাদা। এই মিসাইল উচ্চ বায়ু স্তরগুলিতে খুব সাবলীল ভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম। একসাথে বহু দেশ এই পরবর্তীকালীন মিসাইল প্রযুক্তির সংগ্রহ বাড়াতে চাইছে। তবে বেশিরভাগ দেশ এখনো এই প্রযুক্তির স্বাদ পায়নি।

[ আরও পড়ুন ] কিম সেনা আন্তঃকোরিয়ান লিয়াজোঁ অফিস ভাঙলো

অ্যাডমিরাল খানযাদি স্পষ্ট ভাবে জানান “আমরা বর্তমানে সাগরে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়িয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি এর পাল্লা আরো অনেক গুন বাড়ানো হবে। আমরা আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখব। আমাদের নৌবাহিনীর সদস্যরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই লক্ষ্যে।”

[ আরও পড়ুন ] রাশিয়ায় পুতিনের জন্য বিশেষ জীবাণুনাশক টানেল

শব্দের গতির চেয়ে কয়েকগুন বেশি গতিতে অস্ত্র তৈরী করতে চায় ইরান। একদম নিখুঁত ভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইরান। আশা করা যায়, কিছু দিনের মধ্যেই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হবে। এফ ১৫ এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এই ধরণের মিসাইল লঞ্চ করবার উপযোগী।

[ আরও পড়ুন ] চীনকে ঠেকাতে আমেরিকার ৬০০ কোটি ডলারের তহবিল

১৯৭২ সালে এর প্রথম আত্মপ্রকাশ। এফ-১৫ ঈগল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি একটি যুদ্ধবিমান। হেভিওয়েট ফাইটার হিসেবে এটির জন্ম । এফ-১৫ ঈগল মূলত একটি এয়ার সুপেরিয়রিটি ফাইটার। দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট সুপার সনিক বিমানটির সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ২৬৬৫ কিলোমিটার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *