Mamata Banerjee Wants Report on Surgical Strike 2.0

পাকিস্তানের জইশ ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানহানা নিয়ে সঠিক রিপোর্ট চান মমতা – Mamata Banerjee Wants Report on Surgical Strike 2.0

আন্তর্জাতিক

মমতা ব্যানার্জী স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্ক টাইমস-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ভারতীয় বায়ুসেনা জইশ ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যর্থ হয়েছে

১৪ই ফেব্রুয়ারী জইশ সন্ত্রাসবাদীদের নারকীয় হামলায় অগণিত ভারতীয় সেনাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে| পৃথিবীর প্রায় সব দেশ থেকেই এসেছে সহানুভূতির বার্তা| সাহসের সাথে ভারতীয় বায়ুসেনা অতর্কিতে আক্রমণ শানিয়েছে সীমানা ছাড়িয়ে| একাধিক আধুনিক বিমান দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে আতঙ্কের উৎসভূমি|

গোটা পৃথিবী থেকেই এসেছে সমর্থনের ঝড়| সমগ্র ভারতবাসী কুর্নিশ জানিয়েছে আমাদের বায়ুসেনাবাহিনীকে| কিন্তু এর মাঝে উঁকি দিয়েছে সামগ্রিক মিথ্যার এক আড়াল করা বিষয়| বাংলার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জী এর সত্যতা খুঁজতে মরিয়া| তিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটে জইশঘাঁটির উপর ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানহানা নিয়ে সঠিক ও বিশদ রিপোর্ট প্রকাশের আর্জি জানালেন।

মমতা ব্যানার্জী স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্ক টাইমস-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ভারতীয় বায়ুসেনা জইশ ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যর্থ হয়েছে। ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাড়ে ৩০০ জঙ্গি মারার কথা অসত্য। সেখানে একজনও নিহত হননি। তৃণমূল সুপ্রিমো আরও বলেন, একাধিক আন্তর্জাতিক মিডিয়ার এই দাবিতে জনমনে বিভ্রান্তি শুরু হয়েছে।

সেই বিভ্রন্তি দূর করতে, ভারতীয় এয়ার স্ট্রাইকের বিশদ রিপোর্ট প্রকাশে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছেন মমতা। আসলে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলার পর থেকে একবারও বিরোধীদের সঙ্গে বৈঠকে বা আলোচনায় বসেন নি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আবার ওই বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদ ঘাঁটিতে বায়ুসেনার প্রত্যাঘাতের পরে প্রধানমন্ত্রী মৌন ছিলেন।

মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছেন, দেশবাসী জানতে চায়, পাকিস্তানের ঠিক কোথায় বোমা পড়েছে। সঠিক লক্ষ্যবস্তুতে সেই বোমা আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে কি না, তা জানতে চায় দেশ। ৩০০ থেকে ২৫০ জঙ্গি সত্যি সত্যিই মারা গিয়েছে কি না, সেই সত্য জানার অধিকার সকল নাগরিকের আছে। তিনি আরও বলেছেন, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে তিনি। কিন্তু, অসময়ে ঘর গোছাতে, রাজনৈতিক কারণে বা আসন্ন লোকসভা ভোটে জেতার কৌশল হিসেবে এই যুদ্ধের পক্ষে তিনি নেই| তাহলে মোদির এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কি চাঁদের মাটিতে মানুষের পা রাখার মতোই আবছা অন্ধকারের!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *