Oil leaking from Japanese cargo ship stopped by Mauritius

মরিশাসে জাহাজ থেকে তেল চুইয়ে পড়ছে সমুদ্রে

আন্তর্জাতিক

মুদ্রের জল দূষিত হয়ে যাচ্ছে। এর নেপথ্যে আছে জাপানের একটি তেলবাহী ট্যাংকার (Japanese cargo ship)। ভারত মহাসাগরের দ্বীপ দেশ মরিশাসকে বলা …

নিজস্ব সংবাদদাতা: মানুষের জন্য প্রকৃতি ক্রমশ স্বচ্ছতা হারাচ্ছে। সমুদ্র পৃথিবীকে ঘিরে আছে। অগণিত প্রাণ এই জলরাশিকে ধরে বেঁচে আছে। অথচ সেই সমুদ্রের জল দূষিত হয়ে যাচ্ছে। এর নেপথ্যে আছে জাপানের একটি তেলবাহী ট্যাংকার (Japanese cargo ship)। ভারত মহাসাগরের দ্বীপ দেশ মরিশাসকে বলা হয় এক বিরল আশীর্বাদ। বিস্তীর্ণ শান্ত সমুদ্রের স্বচ্ছ জলের গভীরে দেখা যায় প্রবালপ্রাচীর ও নানা সামুদ্রিক জীব। সেই আকর্ষণে মরিশাসে আসে প্রচুর পর্যটক। এখন অবশ্য ভাইরাস আতঙ্কের কারণে বন্ধ হয়ে পর্যটন ব্যবসা। মরিশাস সরকারের দাবি যে তারা জাহাজের সব তেল খালি করে নিয়েছে।

কিন্তু এই বিপর্যয়ের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে নতুন এক বিপদ। মরিশাসের সমুদ্র উপকূল অন্য এক বিপর্যয়ের মুখে। মারা যাচ্ছে নানা প্রজাতির সামুদ্রিক জীবন, ধ্বংস হচ্ছে প্রবালপ্রাচীর।

Oil leaking from Japanese cargo ship stopped by Mauritius
Oil leaking from Japanese cargo ship stopped by Mauritius

স্বচ্ছ নীল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে তৈলাক্ত কালো বিষ। জাপানের জাহাজ কোম্পানি মিৎসুই ও এ এস কে লাইনের একটি তেলবাহী ট্যাংকার গত ২৫শে জুলাই থেকে মরিশাসের উপকূলে বিকল হয়ে যায়। চার হাজার টন জ্বালানি তেল সেই ট্যাংকার বহন করছে। সেই জাহাজ থেকে তেল চুইয়ে পড়তে শুরু করে। জাহাজটি ধীরে ধীরে ডুবে যেতে থাকে। জাহাজ ডুবে গেলে ক্ষতি কম। তবে এর বহন করা তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে মরিশাস।

[ আরও পড়ুন ] উষ্ণায়নে কানাডার শেষ অক্ষত মেরু-তুষার প্রাচীরটি ধসে পড়ল

পর্যটন থেকেই মরিশাস দেশকে সমৃদ্ধ করতে পেরেছে। ২০০০ সাল থেকে মরিশাসের সরকার অগভীর উপকূল সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়। দুই দশক ধরে চালানো প্রচেষ্টায় সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদের পাশাপাশি প্রবালপ্রাচীর আবার আগের অবস্থায় আস্তে শুরু করে। । এখন একটি জাহাজের কারণে সেই সবটাই প্রায় ভেস্তে যাওয়ার পথে। জাপান সরকার ছয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল মরিশাসে পাঠিয়েছে। তবে সহজ কোনো সমাধানের পথ কারও জানা নেই। জাহাজটি থেকে তেল সমুদ্রে পড়তেই আছে। জ্বালানির সবটা সমুদ্রে মিশে গিয়ে বিপর্যয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *