Pak PM Imran Khan Supports Modi on Kashmir Issue

ইমরান খান বললেন কংগ্রেস নয় মোদী জিতলে সমস্যা মিটবে কাশ্মীরে – Pak PM Imran Khan Supports Modi on Kashmir Issue

আন্তর্জাতিক

ইমরানের দাবি, কাশ্মীর একটি রাজনৈতিক বিদ্রোহ। এখানে সেনা নামিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। তবে তাদের দেশের বুকে গড়ে ওঠা জঙ্গি শিবির ধ্বংস করতে পাকিস্তানের সেনা সবসময়েই সচেষ্ট।

একেবারেই বিপরীত বাতাসে ভেসে উঠলো শান্তির বার্তা| পুলওয়ামা, বালাকোট ,ভারতীয় বায়ুসেনা নামিয়ে দিল পাক যুদ্ধবিমান এফ-১৬। আর তার পরবর্তী সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে তার সাক্ষী বিশ্বভুবন। আসলে কাশ্মীরে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলার কড়া জবাবে পাকিস্তানের বুকে ভারতের এয়ারস্ট্রাইক ও তারপর পাক প্রধানমন্ত্রীর শান্তি ভিক্ষার বিষয় আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে মস্ত বড় ঘটনা। নোবেলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা তৈরী করলেন ইমরান খান| ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগের দিন বিখ্যাত রিভার্স সুইংটি দিয়ে দিলেন তিনি| “শান্তির স্বার্থে” ভোটের আগের দিন তিনি, মোদী আর বিজেপিকেই নম্বর দিয়ে দিলেন।

আজ সবাইকে অবাক করে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান বললেন, ভারতের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দল জিতলে কাশ্মীর ইস্যুতে দু’দেশের মধ্যে আবার শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা বেশি। এখানেই কিন্তু থামলেন না। উল্টোটারও ব্যাখ্যা দিলেন তিনি। তার কথায়, ভোটে জিতে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে কাশ্মীর সমস্যা যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই থাকবে। আসলে বিজেপির মতো দক্ষিণপন্থী দল যদি ভারতের জয়ী হয়, তাহলে কাশ্মীর নিয়ে একটা মঙ্গলজনক অবস্থানে আসা যাবে। আর এর পাশাপাশি কাশ্মীর সমস্যার একটা সমাধান করা সম্ভব হবে। আর সেই জন্যই, কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর আলোচনা সম্ভব। কারণ, দক্ষিণপন্থীরা সমস্যা তৈরী করবে, এই ভয়ে কাশ্মীর সমস্যা মেটাতে কংগ্রেস এগিয়ে আসবে না।

কিন্তু ভারতে মুসলিম ও অ-হিন্দুদের উপর একটানা আক্রমণের ঘটনা যে তার নজর এড়ায়নি, সেটাও স্পষ্ট মনে করিয়ে দিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ভারতে এখন যা সব হচ্ছে, কখনওই তা দেখতে হবে তা তিনি ভাবেন নি। সেখানে মুসলিম ভাবাদর্শের উপর আক্রমণ চলছে। বহু ভারতীয় মুসলিম আগে অনেক ভাল ছিলেন ও-দেশে। কিন্তু এখন ওঁদের ভাল লাগছে না। ওঁরা উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থানে খুবই উদ্বিগ্ন।

এসবের মাঝেও ইমরানের দাবি, কাশ্মীর একটি রাজনৈতিক বিদ্রোহ। এখানে সেনা নামিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। তবে তাদের দেশের বুকে গড়ে ওঠা জঙ্গি শিবির ধ্বংস করতে পাকিস্তানের সেনা সবসময়েই সচেষ্ট। মোদী বলেছিলেন “‘পাঠানের ছেলে হলে ব্যবস্থা নিন।’ এরপরই হিসাবের বাইরে গিয়ে, বেশ নমনীয় মনোভাব দেখালেন পাঠান পুত্র। মোদির প্রতিরক্ষার বাহারকে তিনি কি ভয় পাচ্ছেন? নাকি, নরম থেকে মোদির জনপ্রিয়তায় ভাগ বসানোর কৌশল?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *