Pakistan Government Bans 11 Militant Groups

১১টি জঙ্গিগোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান ।

আন্তর্জাতিক

Pakistan Government Bans 11 Militant Groups

মাসুদ ও হাফিজের সঙ্গে ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকার জন্য সেগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শেষপর্যন্ত আন্তর্জাতিক চাপের কাছে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তান। এবার ইমরান খান সরকার ১১টি জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। পাকিস্তানের দুই মূল সন্ত্রাসবাদী হাফিজ সইদ ও মাসুদ আজহারের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ওই ১১টি সংগঠনের।

মাসুদ আজহারের জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে ওই ১১টি সংগঠনের যোগাযোগ রয়েছে। মাসুদ ও হাফিজের সঙ্গে ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকার জন্য সেগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের চাপের মুখে পড়ে সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করেছে।

এ বছরের মার্চ থেকে পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর বিদেশি সহায়তা বন্ধেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার।রবিবার পাকিস্তানের একটি পাঁচতারা হোটেলে হামলা চালিয়ে পাঁচ নিরীহ মানুষকে হত্যা করে জঙ্গিরা৷ এর আগে গত বুধবার লাহোরে একটি সুফি ধর্মস্থলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা ৷

ওই হামলায় মৃত্যু হয় ছ’জনের৷ আহত হন অনেকেই৷ উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সিন্ধ প্রদেশের বিখ্যাত লাল শাহবাজ কলন্দর নামের সুফি দরগায় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৮০ জন নিরীহ মানুষ। তারপরই অভিযানে প্রায় ১০০ জঙ্গিকে নিকেশ করেছিল পাক সেনা৷ এখন পাক সেনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে ওই শোন্ জঙ্গি সংগঠনগুলি|

জইশ-ই-মোহাম্মদসহ বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১১টি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান। নিষিদ্ধ ঘোষিত ওই সংগঠনগুলো হলো- আল আনফান ট্রাস্ট (লাহোর), ইদারায়ে খেদমতে খালক (লাহোর), আদ-দাওয়া ওয়াল ইরশাদ (লাহোর), আল হামদ ট্রাস্ট (লাহোর ও ফয়সালাবাদ), মসজিদ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (লাহোর), আল মদিনা ফাউন্ডেশন (লাহোর), মুয়াজ বিন জাবাল এডুকেশন ট্রাস্ট (লাহোর) আল ইসার ফাউন্ডেশন (লাহোর), আর-রহমত ট্রাস্ট অর্গানাইজেশন (ভাওয়ালপুর) এবং করাচির আল ফোরকান ট্রাস্ট।

২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পেশোয়ারের একটি স্কুলে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির সব রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ইমরানকে|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *