Preserved bodies of two Jesus era master servant found in Pompeii

ইতালিতে মিললো প্রায় যীশু যুগের প্রভু-ভৃত্যের দেহাবশেষ

আন্তর্জাতিক

দু’হাজার বছর ধরে কাছের জন হয়ে পড়ে আছেন। এরা একজন মালিক ও আরেকজন সম্ভবত তাঁর পুরুষ ভৃত্য (Jesus era master servant)।

নিজস্ব সংবাদদাতা: অকল্পনীয় বললেও কম বলা হবে। বহুপ্রাচীন কালের ইতিহাস স্পষ্ট ভাবে ধরা দিলো মানুষের সামনে। আর এই বিস্ময়ের দর্শন, সকলকে মোহিত করে দিয়েছে। প্রায় দু’হাজার বছর ধরে কাছের জন হয়ে পড়ে আছেন দুজন। এরা একজন মালিক ও আরেকজন সম্ভবত তাঁর পুরুষ ভৃত্য (Jesus era master servant)। ইতালির পম্পেইতে একটি পার্কে খননকার্যে চালানো হয়। সেখানে উদ্ধার হয় এই কঙ্কাল। গবেষকরা অনুমান করছেন, ৭৯ খ্রিস্টাব্দে ওই দুজন মাউন্ট ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতের শিকার হয়েছিলেন। খনন কার্যের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক জানান, ৬.৫ ফুট গভীর ছাইয়ের তলা থেকে এই কঙ্কাল দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।

Preserved bodies of two Jesus era master servant found in Pompeii
Preserved bodies of two Jesus era master servant found in Pompeii

এই কঙ্কাল বেশ কিছু তথ্য সামনে আনছে। পোশাকের কিছু অংশবিশেষ পাওয়া গিয়েছে। বিশ্লেষণ করে গবেষকরা জানাচ্ছেন, এদের মধ্যে একজন ছিলেন মধ্যবয়সী ধনী ব্যক্তি। আর অন্যজন ছিল তার ক্রীতদাস। তবে দাঁত, মাথারক্র্যানিকাল হাড় পরীক্ষা করে দু’জনের বয়সের একটি অনুমান করেছেন গবেষকরা। অল্প বয়সের ভৃত্য লোকটি আনুমানিক ব্যস হবে ১৮-২৫ বছরের মধ্যে। আর মালিক মানুষটির বয়স ছিল ৩০-৪০ বছরের মধ্যে। দু’জনের মধ্যে একজনের মেরুদণ্ডের গঠন বেশ মজবুত। বোঝা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তির যথেষ্ট কায়িক পরিশ্রমে অভ্যস্ত ছিলেন। তবে তার পাশের ব্যক্তির জনের শারীরিক গঠন কিছুটা আলাদা। জানা যাচ্ছে, তিনি বুকে হাত রেখে মারা গিয়েছিলেন।

[ আরও পড়ুন ] ‘উড়ন্ত মানব’ ভিন্স রেফেট দুর্ঘটনাতে মারা গেলেন

ইতালির সভ্যতা অনেক প্রাচীন। পৃথিবীর প্রাচীনতম অভিজাত স্থানের একটি ছিল পম্পেই নগরী। ইতালির নেপলসের ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই সুন্দর শহর। প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের এক অপরূপ বাসভূমি এটি। কিন্তু ৭৯ খ্রিস্টাব্দে এই পরিকল্পিত নগরীটি ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের জ্বলন্ত লাভার নীচে চাপা পড়েছিল। ফলে জীবন্ত কবরে পৌঁছে যায় সেই শহরের সকল মানুষ, প্রাণী ও গাছপালা। সেই কারণেই এই উদ্ধার হওয়াল কঙ্কাল দেখেও বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, হঠাৎ এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় সামনে আসায় পালানোর সুযোগ পাননি কেউ। কিংবা পালাতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই মৃত্যু হয় এই দুজন হতভাগ্যের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *