Rare Snowfall in Baghdad For The Second Time This Century

Snowfall in Baghdad: মরুভূমি বাগদাদ বরফে ঢাকা

আন্তর্জাতিক

চারিদিকে কেবল সাদা বরফ। রাস্তা ঘাট সব সাদা বরফের (Snowfall in Baghdad) আস্তরণে ঢাকা। এই প্রথম বাগদাদের নবীন প্রজন্ম দ্বিতীয়বার …

বাগদাদ ইরাকের রাজধানী। দজলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরটি ৮ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাগদাদের জলবায়ু উষ্ণ মরুময়, অত্যন্ত গরম বৈশিষ্ট্যযুক্ত, শুষ্ক গ্রীষ্মকাল এবং হালকাগরম শীতকাল। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাগদাদের সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ১৫.৫ থেকে ১৮.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থাকে, যদিও সর্বোচ্চ তাপামাত্রা ২১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের এর বেশি উঠে না। প্রতি বছরই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গড়ে কয়েকবার শূণ্য ডিগ্রির নীচে নামে। এবার এখানকার চারিদিকে কেবল সাদা বরফ। রাস্তা ঘাট সব সাদা বরফের (Snowfall in Baghdad) আস্তরণে ঢাকা। এই প্রথম বাগদাদের নবীন প্রজন্ম দ্বিতীয়বার তুষারপাত দেখছে।

Rare Snowfall in Baghdad For The Second Time This Century
Rare Snowfall in Baghdad For The Second Time This Century

এক আশ্চর্য ঘটনায় চমত্‍কৃত বাগদাদবাসী বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। চলতে থাকে ফটো তোলার হিড়িক, সঙ্গে বরফে গোলা পাকিয়ে খেলাও শুরু হয়ে যায়। আবহাওয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৮-এ একবার বাগদাদে বরফ পড়লেও সেবার তা ছিল খুবই সামান্য। কিন্তু এবারে ঠিক যেন বরফে ঢাকা পড়েছে গোটা শহর। ইওরোপের শৈত্যপ্রবাহ বাগদাদে ঢুকে তাপমাত্রা কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান শহর বাগদাদে এই ঘটনা বিরল। গরমে এখানে তাপমাত্রা চলে যায় ৪৮-৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে।

মরুভূমির বুকে ঘটছে তুষারপাতের ঘটেনা। সারা বিশ্বের প্রকৃতি যেন এবার বিপরীত দিকে এগোচ্ছে। এই নিয়ে বাগদাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো তুষারপাত হল। এর আগে ২০০৮ সালে একবার তুষারপাত দেখেছিল বাগদাদ। প্রকৃতির এই বিরল রূপ উপভোগে সময় নষ্ট করেননি বাগদাদবাসী। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছিলেন তারা। ছোট থেকে প্রবীণ সকলেই তুষার পাতের আনন্দ উপভোগ করেছেন। বরফ নিয়ে খেলা করতে দেখা গিয়েছে ছোটদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *