Tehran Defence Exhibition in Iran

Defence Exhibition: ইরানের নতুন ট্যাংক, ড্রোন ও বোমা

আন্তর্জাতিক

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনীর মাজার কমপ্লেক্সের সামনে বিশাল প্রাঙ্গণে কুচকাওয়াজের সময় এইসব প্রদর্শন (Defence Exhibition) করা হয়।

ইরান নিজের ক্ষমতা ও দক্ষতা প্রদর্শনে নামলো। নিজস্ব প্রযুক্তি নতুন ট্যাংক প্রদর্শন করেছে ইরান। রবিবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনীর মাজার কমপ্লেক্সের সামনে বিশাল প্রাঙ্গণে কুচকাওয়াজের সময় এইসব প্রদর্শন (Defence Exhibition) করা হয়। ইরানের নতুন ট্যাংকটির নাম হচ্ছে ‘হায়েল’। এই ট্যাংকটি কোনো ধরণের ফ্রিকোয়েন্সি পাঠানো ছাড়াই লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করতে পারে। বিপক্ষের কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই অভিযান চালাতে পারে এই ট্যাংক। ইরান গতকাল কুচকাওয়াজে কামান-১২ নামের ড্রোন প্রদর্শন করেছে। এটি হচ্ছে ইরানের বিমান বাহিনীর ড্রোনের সর্বশেষ সংস্করণ। এটি উড্ডয়নস্থলের এক হাজার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এক হাজার কেজি ওজন নিয়ে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

কুচকাওয়াজে অংশ নেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। এ সময় দেশটির সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এ কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হয় খোরামশাহার নামে একটি উন্নততর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এর আওতা দুই হাজার কিলোমিটার বলে দাবি করা হয়।ওইদিন ইরানের সবচেয়ে ধ্বংস ক্ষমতাসম্পন্ন বোমাগুলোর একটি প্রদর্শন করা হয়, যার নাম কাসেদ। একে স্মার্ট বোমা বলা হয়। কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত ট্যাংকটির নাম হচ্ছে হায়েল। এই ট্যাংকটি কোনো ধরণের ফ্রিকোয়েন্সি পাঠানো ছাড়াই লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করতে পারে।

সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এক সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন ট্যাংক, ড্রোন, সাঁজোয়া যান ও শক্তিশালী বোমা প্রদর্শন করল দেশটি। সৌদি আরবে মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা আসার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি হুমকির সুরে বলেছে, ইরানের অভ্যন্তরে কোনো প্রকার হামলা তারা বরদাশত করবে না। আক্রমণকারী যেকোনো দেশকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে ইরান। ইরানের এক সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইরানের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। কোনো ভুল কোরো না।’ ইরানের সেনা কর্মকর্তা ও ইরানিয়ান রেভল্যুশনারি গার্ডসের কমান্ডার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি জানান, ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। আমরা কখনোই বহির্বিশ্বের কোনো দেশকে ইরানে ঢুকে যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি করতে দেব না। ইরানের ওপর যে আক্রমণ করবে, তাকেই প্রতিহত করা হবে। আক্রমণকারীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত আমরা থামব না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *