United Nation Awarded Sabooj Sathi and Utkarsh Bangla

কন্যাশ্রীর পর রাষ্ট্রসংঘে আবার পুরস্কৃত ‘উৎকর্ষ বাংলা’ ও ‘সবুজ সাথী’ – United Nation Awarded Sabooj Sathi and Utkarsh Bangla

আন্তর্জাতিক

‘উৎকর্ষ বাংলা’য় অন্তত ৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং ‘সবুজ সাথী’র সাইকেল পেয়েছেন অন্তত ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী৷ এই রাজ্যের উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী বিনা খরচে দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন।

নির্বাচনের মাঝেই এক অভাবনীয় তৃপ্তি| বিশ্বের দরবারে সম্মান্বিত মাননীয়া মমতা ব্যানার্জীর জনমুখী প্রকল্প| আসন্ন ভোটের বাজারে এই মস্ত আন্তর্জাতিক সাফল্য পেল বাংলার সরকার। কন্যাশ্রীর পর বিশ্ব দরবারে পুরস্কৃত হল রাজ্য সরকারের আরও দুটি প্রকল্প। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ‘কন্যাশ্রী’র পর ‘উৎকর্ষ বাংলা’ এবং ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের মাথায় যে নতুন শিরোপা উঠতে চলেছে, তার আগাম ইঙ্গিত ছিলই৷ বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, রাষ্ট্রসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি বিভাগে পুরস্কার জুটেছে৷ গর্বিত গোটা বাংলা ও সরকারি প্রশাসনিক দপ্তর| মোদীর ভাষায়, ‘‘বাংলায় উন্নয়নের স্পিড ব্রেকার মমতা’’-র মুকুটে জুটলো রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃত।

জানা গেছে, ৮ বিভাগের মোট ১০৬২টি মনোনয়নের মধ্যে সেরার পুরস্কার পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনার দু’টি প্রকল্প৷ প্রথমটি রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য| দ্বিতীয়টি রাজ্যজুড়ে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে সাইকেল প্রদান৷ এই দুই প্রকল্পে সুবিধা পেয়েছেন রাজ্যের বহু মানুষ৷ ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটিতে ( World Summit on Information Society -WSIS ) ‘চ্যাম্পিয়ন প্রজেক্ট’ হিসেবে পুরস্কৃত ‘উৎকর্ষ বাংলা’ এবং ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’ বিভাগে সর্বসেরা হয়েছে ‘সবুজ সাথী’৷ ৯ই এপ্রিল তারিখ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ৷ জানা যাচ্ছে, এই ‘উৎকর্ষ বাংলা’য় অন্তত ৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং ‘সবুজ সাথী’র সাইকেল পেয়েছেন অন্তত ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী৷ এই রাজ্যের উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী বিনা খরচে দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চালু হওয়া এই প্রকল্পের, উদ্ভাবনীর দিক থেকে নতুন নতুন কোর্সও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

গত ২০১৮ সালের ২ জুলাই থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন পেশ করার সময় ছিল৷ জানা যাচ্ছে, গতবারের তুলনায় ২১৬ শতাংশ মনোনয়ন বেশি জমা পড়েছিল সেখানে। তবে মোট ১১৪০ মনোনয়ন জমা পড়লেও প্রাথমিক বাছাইয়ে থাকে ১০৬২টি। তারপর পাঁচটি দফায় চূড়ান্ত নির্ধারণ হয়। ২০১৭-এ ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘের জনপ্রশাসন বিভাগে সেরার সম্মান ছিনিয়ে এনেছিল।

Kanyashree Prakalpa Also Awarded in UN
Kanyashree Prakalpa Also Awarded in UN

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবারের বিশ্বসেরার পুরস্কার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকতে না পারলেও, রাজ্যের প্রকল্প এভাবে বিশ্বমহলে স্বীকৃতি পাচ্ছে, তাতেই তিনি খুব আনন্দিত৷ আশা করাই যায়, আগামীতে এই প্রকল্পের সাথে আরও কিছু জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বাংলার মানুষ পেতে চলেছে|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *